দেশব্যাপী কঠোর লকডাউনে যা কিছু খোলা ও বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃকরোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যু পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান কঠোর লকডাউনের মেয়াদ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষধ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।  এর আগে, গত বুধবার দেশব্যাপী সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।

সোমবারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বাড়ানো হলো।

কঠোর লকডাউনে যা কিছু খোলা থাকবে:

আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সার্ভিস খোলা থাকবে।

এছাড়া বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ফার্মেসিসহ জরুরি পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে যাতায়াত করতে পারবে। কোনো বিধি নিষেধ ছাড়া যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

এদিকে শিল্প-কারখানা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

খাবারের দোকান, হোটেল রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি করতে পারবে। তবে কেউ হোটেলের মধ্যে বসে খেতে পারবে না। চালু থাকবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল।

কঠোর এ লকডাউনে যা যা বন্ধ থাকবে:

অন্যদিকে সর্বাত্মক এ লকডাউনে সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। সড়ক রেল ও নৌ পথে গণপরিবহন এবং অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শপিংমলসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। সব ধরনের জনসমাবেশ ও সামাজিক অনুষ্ঠান (জন্মদিন পালন, বিয়ে, পিকনিক) বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here