বরিশালে থামছেনা সরকারি খাল দখল

নিজস্ব প্রতিনিধিঃকরোনার অজুহাতে স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার কারণে কোন অবস্থাতেই থামছেনা সরকারি খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের কাজ। সরকারি খাল দখলের কারণে আগামী বোরো মৌসুমে সেচ নিয়ে মারাত্মক সমস্যায় পরতে হবে ভূক্তভোগী কৃষকদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সুন্দরদী গ্রামের নীলখোলা ও টরকী বন্দরের ছাগলহাটা সংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছেন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নীলখোলা খালটি প্রায় ৩০ ফুট চওড়া। তবে দখলের কারণে খালটি সঙ্কুচিত হয়ে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নীলখোলা খালের একাংশ দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছেন স্থানীয় জামাল হোসেনসহ কতিপয় ব্যক্তি। জামাল হোসেনের দাবি, সরকারি খাল দখল করে নয়; নিজের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে তিনি স্থাপনা নির্মাণ করছেন। বার্থী ইউনিয়ন তহশিলদার মিশেল আল সাদিক জানান, খাল দখলকারীদের বাঁধা দেয়া হয়েছে। তারা বাঁধা উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
টরকী বন্দরের ছাগলহাটা এলাকার খাল দখলের বিষয়ে স্থানীয় বাবুল সরদার জানান, সোহাগ মাঝি গংরা খালের মধ্যে বালু ভরাট করে দখল করার চেষ্টা চালায়। পরে সে (বাবুল) রাস্তার পাশে টিনের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে খালটি ভরাটের চেষ্ঠা করছেন দখলবাজরা।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, দখলদাররা যেই হোক না কেন, কাউকে জনস্বার্থ বিরোধী কাজ করতে দেয়া হবেনা। খালগুলো দখলমুক্তসহ দখলদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here