বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় অর্ধকোটি টাকার ভায়াগ্রা আমদানি

যশোর প্রতিনিধি:যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ২৬ কেজি ভায়াগ্রার একটি চালান আটক করেছেন কাস্টমস সদস্যরা। যার মূল্য ৫০ লাখ টাকা বলে কাস্টমস সূত্র জানায়।

গত বুধবার রাতে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবীর তরফদার ভায়াগ্রা চালান আটকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কাস্টমসে সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়ে পণ্য চালানটি নিজেদের জিম্মায় নিয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তারা। বেনাপোল বন্দরের ৪২ নম্বর গুদাম থেকে ভায়াগ্রার চালানটি জব্দ করেন কাস্টমস সদস্যরা। কাস্টমসের ল্যাবে পরীক্ষা শেষে প্রাথমিক পরীক্ষায় এটি ভায়াগ্রা বলে নিশ্চিত হন তারা।

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভায়াগ্রা আমদানি করে যশোরের মামনি এন্টারপ্রাইজ। পণ্যটি বন্দর থেকে ছাড় করানোর চেষ্টা করছিলেন বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের উপকমিশনার অনুপম চাকমা জানান, গত ৩১ মে আমদানিকারক মোটর পার্টস অ্যান্ড আদার্স এক ঘোষণায় ভারত থেকে ৩০১ প্যাকেজ পণ্য আমদানি করে বেনাপোল বন্দরের ৪২ নম্বর পণ্যাগারে রাখে। পরবর্তীতে পরীক্ষায় দেখা যায়, ৩০১ প্যাকেজের মধ্যে ১১৪ নম্বর প্যাকেজে পাউডার জাতীয় ২৬.২১ কেজি পণ্য রয়েছে। পরে সেটি কাস্টম হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ভায়াগ্রা শনাক্ত হয়।

তিনি আরো জানান, আমদানিকৃত পণ্যটি আমদানি নিষিদ্ধ সেজন্য জনস্বার্থে নিরাপত্তার জন্য ৪২ নম্বর পণ্যাগার থেকে কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বেনাপোল বন্দরের একটি সূত্র জানায়, এক ধরনের দুর্নীতিবাজ চোরাচালান ব্যবসায়ী সেজে দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বৈধপথে মিথ্যা ঘোষণায় ভায়াগ্রা পাচার করে আসছেন। ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই ২০০ কেজি ও একই সালের ৭ আগস্ট ২৫০০ কেজি ভায়াগ্রার আরো একটি চালান আটক করেন বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা। ওই সময় যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৪ কোটি টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here