পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদী বন্দর পরিদর্শনে নৌ প্রতিমন্ত্রী

সাঈদ ইব্রাহিম,পটুয়াখালী ঃ শেখ হাসিনার সরকার ব্যতীত নদীর নাব্যতা সংকট, দখল ও দূষণদূর করতে পারবে না এমনটাই বলেছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি। শেখ হাসিনার সরকার ব্যতীত নদীর নাব্যতা সংকট, দখল ও দূষণ দূর করতে পারবে না। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল নদীর তীর দখলদারদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পটুয়াখালীর নৌ বন্দর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। নৌ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশে শতাধিক নদী রয়েছে। কিন্তু এসব নদীর নাব্যতা নষ্ট হয়ে গেছে, দখল হয়ে গেছে এবং দূষণও হয়ে গেছে। নদীর তীর দখল, নাব্যতা সংকট ও নদীর দূষণ নিয়ে অতীতের কোন সরকার কাজ করেনি। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এইসব নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নদীর নাব্যতা দূরীকরণ এবং নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি জেলায় নদী রক্ষা কমিটি রয়েছে। গত তিন দিন আগে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নদী রক্ষা কমিশনের রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছে। এ কারণে মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। নদীর দখল, নাব্যতা ও দূষণ নিয়ে দেশের গণমাধ্যমগুলো একাধিকবার রিপোর্ট করেছে। এতে জন সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আমাদের কাজ করতে সুবিধাও হচ্ছে’। এ সময় পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা সাজু এমপি, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-সচিব (সদস্য, পরিকল্পনা ও পরিচালন) মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ-পিপিএম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান মোহন মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হুমায়ুন কবির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. গোলাম সরোয়ার, পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দিন খান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ভিপি আব্দুল মান্নান প্রমূখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here