সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেন অতিরিক্ত সচিব ড.হারুন অর রশিদ বিশ্বাস”

সাইফুল রহিম: বরিশালের গৌরব বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান আলোকিত মানুষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস কে সমব্যায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে , সূত্র মতে গত ১৫ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রেষন-১ অধিশাখা থেকে অতিরিক্ত সচিব (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ) ড.হারুন অর রশিদ বিশ্বাস কে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বদলিপূর্বক প্রেষনে সমবায় অধিদপ্তরে পল্লীউন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। উল্লেখ যে ড: হারুন অর রশিদ বিশ্বাস বরিশাল জেলা বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া কতগ্ৰামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম বিশ্বাস পরিবারে ১৯৬৫ সনে ১১জুলাই পিতা আঃ আউয়াল বিশ্বাস ও মাতা শামছুন্নাহার বেগমের এর ঘড় কে আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্ৰামে ফরিদগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৯সালে এস এসসি এবং সরকারী বিএম কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করেন।১৯৯০সালে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নতক এরং ১৯৯৩সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।ছাএ জীবনে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন সহ ছাত্র ও গণমানুষের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।১৯৯১সালে প্রথম বাংলাদেশ সিভিলে সার্ভিস ( কৃষি) ক্যাডারে যোগদান করেন পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সিভিলে সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। চাকুরীর শুরুতে তিনি ঢাকা ময়মনসিংহ জেলায় ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।১৯৯৮ সালে জানুয়ারি পয়ন্ত তিনি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশনে সহকারী পরিচালক ও ঢাকা জেলার জেলা দূর্নীতি দমন কমকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ফেনী জেলা রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে এবং বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করেন। চাকুরীরত অবস্থায় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধান ও সবজিতে আসেনিকের প্রভাব বিষয়ে ডক্টরেড ডিগ্ৰি লাভ করেন। ইতিপূর্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জননিরাপত্তা বিভাগ এর অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি নিরহংকারী ও সদালাপী তিনি আত্ম অহমিকা ও লৌকিকতারকে একেবারেই অপছন্দ করেন। সতব্যস্থতার মধ্যে ও নিজ দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত ফরিদগঞ্জ বহুমুখী ফাজীল মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ উন্নয়নে অসহায় হতদরিদ্র শিশুদের প্রথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজ এলাকায় মায়ের নামে শামছুন্নাহার শিশু কল্যান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। শামছুন্নাহার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এরমধ্যে সমাজ উন্নয়ন সহ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সরকারী ভাবে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন।পারিবারিক জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here