বাবুগঞ্জের দুর্ধর্ষ মনিরের যত কৃর্তি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : হত্যা চেষ্টা, অর্থ আত্মসাৎ, গরু চুরি, স্বর্নের দোকান লুট, অটো চুরি, নারী কেলেঙ্কারিসহ এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে তার দুর্ধর্ষতা দেখাননি। সোমবার দুপুরে উপজেলার রহমতপুর স্টেশনে ভ্যান চুরির অপরাধে জনতার হাতে আটক হয় অজ্ঞান পার্টি ও চোর চক্রের সদস্য মনির ফকির। চাঁদপাশা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান খানের চেষ্টায় তাকে আটক করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। মনির ফকির বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে শের ই বাংলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহে আমার এলাকার ওমর নামের এক দরিদ্র ভ্যান চালককে অজ্ঞান করে ভ্যান নিয়ে গেলে মনিরকে খোঁজা শুরু করি। সোমবার দুপুরে রহমতপুরে তার অবস্থান জানতে পেরে জনতা সাথে নিয়ে আটক করি। এসময় তার সাথে নেশাদ্রব্য (ট্যাবলেট) ও প্লাস,রেন্জসহ চুরির সরঞ্জামাদি পাওয়া গেছে।
তিনি আরো বলেন, মনির ফকির সারা দেশের চোর ও অজ্ঞান পার্টি সিন্ডিকেটের সদস্য। গত একমাসে মনির বাবুগঞ্জের প্রায় ৫০টি গরু, ব্যাটারি চালিত অটো ও ভ্যান চুরির সাথে জড়িত।
রহমতপুরের ইউপি সদস্য পুতুল হোসেনসহ কয়েকজন বলেন, মনির ফকির দুই বছর আগে সৎ বোন নুপুরের সৌদি প্রবাসী স্বামীকে অজ্ঞান করে স্বর্ন ও অর্থ লুট শেষে নদীতে ফেলে হত্যা চেষ্টা চালায়। এক বছর আগে বাবুগঞ্জ বন্দরের জুয়েলার্স ব্যবসায়ী কবিরকে অজ্ঞান করে দোকান লুট করে। এছাড়া রফিয়াদি এলাকায় অমূল্য কয়ালের ১লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, নিজের বাবার গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে এলাকা ছেড়েছে।
হঠাৎ আবার এলাকায় এসে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই শুরু করেছে।
জানায়যায়, গত ১৫ দিনে বাবুগঞ্জ উপজেলায় অর্ধশতাধিক ব্যাটারি চালিত অটে, ভ্যান, দোকান ও গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
সাধারন জনগন মনে করছেন, মনিরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সকল চুরির ঘটনা উদঘাটিত হবে।
এয়ারপোর্ট থানা-পুলিশ সূত্রে জানাগেছে মনির ফকির পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দুর্ধর্ষ মনির হোসেন বাবুগঞ্জের রহমতপুর ইউনিয়নের সিংহেরকাঠী গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here