হাজারো মানুষের শোক-শ্রদ্ধায় চির নিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক কাউন্সিলর জেলাল

মোঃ শহিদুল ইসলাম, বরিশাল: বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ১৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক জনপ্রিয় কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলালের জানাযা নামাজ আজ ২৬ মে বাদ আছর জিলা স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এর পর তিনি চির নিদ্রায় শায়িত হয়েছেন নগরীর মুসলিম গোরস্থানে। হাজার হাজার জনতার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে জেলালের জানাযার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় জিলা স্কুল মাঠ। প্রিয় মানুষটিকে শেষ বারের মতো দেখার জন্য ও বিদায় জানাতে জনতার উপচে পড়া ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। অগণিত মানুষের শোক, শ্রদ্ধায় ও চোখের জলে শেষ বারের মতো স্বরন করলো সৈয়দ জেলালকে। ২১ নম্বর ওয়ার্ড মুসলিম গোরস্থানে নির্জন কবরেই নিশ্চিত হলো তার আসল ঠিকানা। জানাযা নামাজ শেষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিসিসি মেয়র ও নগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বরিশাল প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম,বিসিসির প্যানেল মেয়র নাঈমুর রহমান লিটু,মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ্যাড ভোকেট গোলাম সরোয়ার রাজিব,হাসান মাহমুদ বাবু সহ ৩০টি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ, বিএনপি’র সাবেক বর্তমান কাউন্সিলরবৃন্দ এমন কি বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক, মুক্তিযোদ্বা,সাংবাদিক, নানা শ্রেণী পেশার হাজার হাজার মানুষ। উল্লেখ,গত মাসের শেষের দিকে তার করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসে এরপর তিনি তার বরিশালের বাসভবনেই অবস্থান করছিলেন। এক পর্যায়ে অসুস্থ্য বোধ করায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।সেখানে দীর্ঘ ২২ দিন চিকিৎসা গ্রহন করেন, করোনা নেগেটিভ ও আসে, এর পর জটিল রোগ দেখা দিলে গত শনিবার দ্রুত তাকে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকাস্থ স্কয়ার হাসপাতালে সৈয়দ জেলালের চিকিৎসা চলছিলো। একদিন পর তার অবস্থা খারাব হলে লাইফসার্পোটে নেওয়া হয়। এর পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।জেলাল ছিলেন ৫ ভাই এক বোনের মধ্যে ৪র্থ।তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here