বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনও দূরত্ব বর্তমান সরকার চায় না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে কোনোভাবেই দূরত্ব সৃষ্টি করবে না।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের বিভাজন দেশের কল্যাণে আসে না, মানুষের কল্যাণেও আসে না।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের শুভকামনা জানিয়ে এসময় তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যত ভুল-ত্রুটি সামনে তুলে ধরা হবে তত বেশি রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংশোধন হয়ে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাবে। এভাবে গুণগত মানোন্নয়নসহ রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝতে পারবে, এদেশকে স্বাধীন করার জন্য ৩০ লাখ শহীদের রক্ত দেয়াটা সঠিক ছিল। মানুষ বুঝতে পারবে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here