মামুনুল হকের যত অপকর্ম

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মামুনুল হক ওয়াজ মাহফিলে বক্তা হিসেবে ধর্মীয় উপদেশের পরিবর্তে তালেবানের প্রশংসাসহ উগ্রবাদের পক্ষে নানা বক্তব্য দিতেন। কখনও কওমি মাদরাসার সাধারণ শিক্ষার্থীদের উত্তেজিত করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরে উস্কানি দিতেন। আবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আগুন সন্ত্রাস ও তাণ্ডবের নির্দেশদাতাও ছিলেন তিনি। সবশেষ বন্ধুর স্ত্রীসহ ধরা পড়েন রিসোর্টে।

পুলিশ বলছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা-আইএসআই’র সঙ্গে গোপন বৈঠক করে রাষ্ট্র ক্ষমতার দখলের ছকও কষেছিলেন এই হেফাজত নেতা।

অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম-হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব পরিচয়কে ব্যবহার করে রাজনৈতিক দল খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মামুনুল হক ওয়াজ মাহফিলে ধর্মীয় উপদেশের পরিবর্তে জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবানদের পক্ষে গাইতেন সাফাই। উগ্রবাদের পক্ষে দিতেন নানা বক্তব্য। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওয়াজের ময়দান দখল করতে হেফাজত নেতাদের নিয়ে করেছিলেন-রাবেতাতুল ওয়ায়েজিন নামের একটি সংগঠনও।

গত বছরের শেষের দিকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন মামুনুল। তার উস্কানিতে কওমি মাদরাসা ছাত্র ও হেফাজত নেতারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কযে হামলা চালায়।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতার নামে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নারায়ণগঞ্জে আগুন সন্ত্রাস ও তাণ্ডবের নির্দেশদাতাও ছিলেন তিনি।

কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উস্কে দিয়ে অবকাশ যাপনে গিয়ে বন্ধুর স্ত্রীসহ ধরা পড়েন নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টে।

তাবলীগ জামায়াতের নেতৃত্ব নিজের হাতে তুলে নিতে সাদপন্থীদের মারধরের অভিযোগে করা মামলায় এপ্রিলের শুরুতে গ্রেফতার হন তিনি। নাশকতার অভিযোগ ও বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ সারাদেশে মামুনুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সবশেষ বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্চের সোনারগাঁও থানায় মামলা হয়।

মামলার রিমান্ডের সময় জিজ্ঞাসাবাদে মামনুল চুক্তিভিত্তিক বিয়ে এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে গোপন বৈঠক করে রাষ্ট্র ক্ষমতার দখলের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। তার ব্যাংক একাউন্টেও পাওয়া গেছে বিপুল অর্থ লেনদেনের তথ্য

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here