আমরা বরিশালবসীরা এই মহামারির দিনে সমাজ সেবকদের কি পাশে পাবো?

তৌফিক রাসেল: জী !আমরা বরিশালের নাগরিক ।আমরা সবসময়ই টেনশনমুক্ত থাকি।বর্তমানে করোনা ভাইরাস এসে মুক্ত টেনশনের মধ্যে ভাগ বসিয়েছে।তার পরেও টেনশন করি না।কারন আমাদের আছে সুযোগ্য মাননীয় মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ।এর আগে ডিজিটাল নগরী হিসেবে বরিশালকে সাজাতে চেষ্টা করছিলেন মরহুম সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরন ।তিনি সকল ধরনের দূর্যোগে সাধারণ মানুষের সাথে ছিলেন সব সময় ।গরীব অসহায়দের অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করেছেন ।আমার নিজ চোখে দেখা,সিটি তহবিল, নিজের তহবিল থেকে সহযোগিতা তো করেছেন, আরো টাকার প্রয়োজন হলে উচ্চবিত্তদের অনুরোধ করে সহযোগিতা করেছেন ।ঠিক এরকমই নেতার দরকার আমাদের, তবে পেয়েও গেছি।আব্দুল্লাহ পরিবার থেকে।যাই হোক করনা ভাইরাস থেকে সাবধান অবলম্বন করা সকলের দরকার ।এরই মাঝে বেঁচে থাকার জন্য টাকার দরকার ।কাজ না করলে মানুষ খাবে কি?এই জন্যই আমার আজকের লেখা।আমাদের বরিশালে সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়।বরিশাল সিটি করপোরেশনের সকল মাননীয় কমিশনারগন উচ্চবিত্ত বলে জানি ।তাদের নাম গুলো দিলাম না।কারন তাদের সম্পর্কে মানুষ ভালোই জানে।তারা যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ ওয়ার্ড গুলোর সাধারণ মানুষের সচেতনার পাশাপাশি মৌলিক চাহিদাগুলোর দিকে নজর দেয় তাহলে সাধারণ মানুষ একটু সস্থী পাবে।এছাড়া বরিশালের বিভিন্ন নির্বাচনে যে সকল প্রার্থীরা টাকাকে টাকা না মনে করে প্রচার কাজে খরচ করেছেন এবং ভবিষ্যতে খরচ করবেন, তারা এই দূর্যোগে- দূর্ভোগে খরচ করলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন,এর সাথে তারা তাদের প্রচার কাজও এগিয়ে রাখলেন।যেমন ধরুন, বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন এবং যারা হয়েছিলেন তাদের নাম উল্লেখ করছি।তাদের রয়েছে অগাধ ক্ষমতা এবং টাকা।যারা সম্মিলিত ভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ালে বরিশাল সিংগাপুর হতে দু-মাস লাগবে বলে আমার বিশ্বাস । বরিশালের জননন্দিত মহান নেতা মরহুম শওকত হোসেন হিরন ভাইয়ের স্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেসা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,আওয়ামী লীগ নেতা কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, মহানগরের সাবেক নেতা মশিউর রহমান খান, আওয়ামী লীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন,সমাজ সেবক আরেফিন মোল্লা,বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগরের সভাপতি মজিবর রহমান সারওযারের, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিছ জাহান শিরিন,দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন,সমাজ সেবক জিয়াউদ্দিন শিকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম,জাতীয় পার্টির মহসিন উল ইসলাম হাবুল। বরিশাল মেয়র প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, খেলাফত মজলিশের অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব আলম,আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদল্লাহ, বিএনপির আহসান হাবিব কামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব, জাতীয় পার্টির নেতা ও সমাজ সেবক ইকবাল হোসেন তাপস, কমিউনিস্ট পার্টির অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ডা. মনিষা চক্রবর্তী। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন,বর্তমান চেয়ারম্যান বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, জেলা আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোয়েজ্জেম হোসেন চুন্নু, বরিশাল সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি, মহানগর আ’লীগের সদস্য ভিপি আনোয়ার হোসাইন এবং সমাজ সেবক মাহমুদুল হক খান মামুন।এদের সকলকই সমাজ সেবক হিসেবে দেখি আমরা সাধারণ মানুষ ।এছাড়া আছেন,সমাজ সেবক গুলজার হোসেন, দ:আলেকান্দার জসিম উদ্দিন, মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল। আমাদের আছে টিভি চ্যানেলের মালিক (মাই টিভি)নাসির উদ্দিন সাথী।এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামে অনেক নামি-দামি শিল্প পতি আছেন যারা আমাদের সকলকে সহযোগিতা করতে পারেন বিভিন্ন উপায়ে । করোনা ভাইরাস আক্রান্তদেরসহ সাধারণ মানুষের পাশে এখন পর্যন্ত দেখা গেছে সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ এবং বাসদ নেত্রী ড.মনীষা চক্রবর্তী।তাই সকল সামর্থবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ,একদিন তো সকলকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে ।এই মহামারির মধ্যে মানুষের সেবা করে দোয়া- আশীর্বাদ নিয়ে নিন।আপনাদের এহকাল ও পরকালের মনের আশা পূর্ণ ,সুখ,শান্তি কামিয়ে নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here