বাউফলে রাস্তা দখল করে গেট নির্মানের অভিযোগ; অপসারনের দাবী

এম মনিরুজ্জামান হিরোন,বাউফলঃ পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি রাস্তায় ব্যক্তগত উদ্যোগে স্থায়ী পাকা গেট নির্মান করে স্থানীয় সাধারন জনগন ও যানবাহন চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় উক্ত গেট অপসারণের দাবী জনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। নির্মানাধীন কার্পেটিং সড়ক দখল করে স্থানীয় সরকারের কোন রকম ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে পাকা গেট নির্মাণ শুরু করে স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল। গেটের পিলারের কারনে সিডিউল অনুযায়ী সড়ক নির্মান করা সম্ভব না হওয়ায় বাধাঁগ্রস্থ হবে উন্নয়ন কাজ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাউফল টু পটুয়াখালী এবং শেরে বাংলা সংযোগ সড়কের পূর্ব প্রান্তে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্থানীয় বুরজুক আলী শিকদার বাড়ির লোকজন ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক ১৫ জানুয়ারী ২০১৫ ইং সালে একটি পাকা গেট নির্মান করতেছিল। তখন আইনের সহায়তা নিলে গেটের কাজ বন্ধ রাখে কিন্তু রাস্তার দুই পার্শ্বে তৈরি করা দুটি পিলার থেকে যায়। যাহা বর্তমানে পরিত্যক্ত এবং উভয় পিলারই রাস্তার এজিং বরাবর অবস্থিত। তারা বলেছিল রাস্তা পাকা হইলে তুলে ফেলবে কিন্তু ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে রাস্তার পাকা কাজ আরম্ভ হলে এখনও পিলার দুটি উঠানো হয় নাই। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু যানবাহন চলাচল করায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। দৈনিক সকালের সময় পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকায় অবৈধ গেট নির্মান শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে তখন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) বরাবরে মৌখিকভাবে বিষয়টি অবগত করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। উক্ত পাকা দুটি পিলার থেকে গেলে পরবর্তীতে অনেক সমস্যা হতে পারে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্তকরনে বাধার সৃষ্টি হবে মর্ম্মে অভিযোগ করে এলাকাবাসী। এলাকাবাসী তাদের অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, উক্ত রাস্তাটিতে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোন প্রকার স্থায়ী গেট নির্মান করতে না পারে এবং নির্মানকৃত পিলার দুটি উঠানোর দাবী জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান আহম্মেদ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, আমি যা দেখেছি তার একটা প্রতিবেদন ইউএনও স্যারের কাছে দাখিল করব। স্যার পিলার রাখলে রাখল, না রাখলে না রাখল এটা আমার বিষয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here