পুঠিয়ায় পুলিশের স্ত্রীর নারিকেল গাছ কাঁটার অভিযোগ উঠেছে

কে এম রেজা;রাজশাহী: রাজশাহী পুঠিয়ায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর জমিতে থাকা দু’টি নারিকেল গাছ জোরপূর্বক কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। থানা মামলা নেয়নি। অভিযোগটি থানায় জমা দেওয়ার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও গাছ কাঁটার ব্যাপারে থানা পুলিশ কোনো রকম প্রদক্ষেপ গ্রহন করেনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর সাবিনা ইয়াসমিনের বাবার বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সাধনপুর এলাকার। তার স্বামী টাঙ্গাইল জেলায় বর্তমানে কর্মরত আছেন। সাবিনার বাবা মা সাধনপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তার বাবার দেওয়া জমিতে বেশ কয়েকটি নারিকেল গাছ রয়েছে। গত ২০ মার্চ সকালে তার জমিতে থাকা বড় দুইটি নারিকেল গাছ সাধনপুর এলাকার মৃত তৈয়বুল্লা ছেলে মো. জয়নাল তার ছেলে আফজালসহ ৮/৯ মিলে জোরাপূর্বক গাছ কেটে ফেলে। ওই দিন সাবিনা থানা এসে গাছ কাঁটার ব্যাপারে মামলা করতে চাইলে, থানা মামলা নিতে গড়িমসি শুরু করে মামলা নেয়নি। বাধ্য হয়ে সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুঠিয়া সার্কেলের) নিটক মামলার ফটোকপি জমা দিয়ে আসেন। অভিযোগ জমা দেওয়ার পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও গাছ কাঁটার ব্যাপারে থানা পুলিশ কোনো রকম প্রদক্ষেপ গ্রহন করেনি। সাবিনা ইয়াসমিন এফএনএসকে বলেন, কিছুদিন আগে আমার বাবার বাড়িতে চুরি হয়ে ছিল। আমি থানায় মামলা করে ছিলাম। তখন থানা পুলিশ আমাদের একটি মোবাইল উদ্ধার করে দিয়ে ছিলেন। কিন্তু বাকি মালামাল এখনো উদ্ধার করে দেয়নি। থানার এএসআই সুজন মাহমুদ মামলার আমাকে বলেন, মামলা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার স্বামীর চাকরি খেয়ে ফেলবে বলে হুমকি দেন। এবং বলেন আমি এই থানায় থাকলে, আপনাকে কোর্টে হাজির করবই। তার এই কথা কারণে, জয়নাল আমার জমিতে থাকা নারিকেল গাছ কাঁটার সাহশ পেয়েছে। নাম প্রকাশে অচ্ছিুক সাধনপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তিরা বলেন,সাবিনার বাবা মা অতিবৃদ্ধ মানুষ। ওনারা নিজেই ঠিকমত চলা ফিরা করতে পাড়েন না। সাধনপুর বাজারে পাশ্বে থাকা জমি তার মেয়ের নামে লিখে দিয়েছেন। এই জমির পাশে জয়নাল একটি পাকা ভবন নির্মাণ করছে। নারিকেল গাছ দুইটি ভবন নিমার্ণে বাধা সৃষ্টি করছে। হয়তো থানা পুলিশের সঙ্গে গাছ কাঁটার ব্যাপারে একট সমঝতা হতে পারে। তাই, হয়তো জয়নাল হুট করে গাছ কাঁটার সাহশ পেয়েছে।
এ বিষয়ে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন মুকুল বলেন,গাছ কাঁটার ব্যাপাটি সঠিক। তারা ন্যায় বিচার পাওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার কর্মকর্তা ইনর্চাজ রেজাউল ইসলাম বলেন,আমি সাধনপুর পুলিশ ফাঁড়ির আইসিকে তদন্ত করার কথা বলেছি। এখনো সে কিছু জানায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here