দুদকের বিদায়ী চেয়ারম্যান কতজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধিঃদুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ শেষ পাঁচ মাসে কতজনকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন তার তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আসার পর মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। এ ছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির ডকুমেন্ট আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

 

গত রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদায়ের আগে দুর্নীতির বহু রাঘব বোয়ালকে ছেড়ে দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তাদের দায়মুক্তি আড়াল করতে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন কিছু নিরীহ ও দুর্বল ব্যক্তিকে। সব মিলিয়ে শেষ পাঁচ মাসে তিনি দুই শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (দায়মুক্তি) দেন।

প্রকাশিত প্রতিবদনে বলা হয়, ইকবাল মাহমুদ বিদায় নেওয়ার আগে স্বীয় কৃতকর্মের অনেক দালিলিক প্রমাণই যথাসম্ভব ‘নিশ্চিহ্ন’ করে যান। এর পরও এ প্রতিবেদকের হস্তগত হয় বেশকিছু নথি। সে অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই শতাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

এই প্রতিবেদন আদালতের নজরে নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। পরে শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

২০১৬ সালের ১০ মার্চ ইকবাল মাহমুদ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। চলতি বছরের ১০ মার্চ তিনি অবসর নেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here