বরিশালে বিএনপি’র সমাবেশ: নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে পুলিশি তল্লাশীর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃবরিশাল ১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি’র বিভাগীয় বিক্ষোভ সমাবেশ বাঁধাগ্রস্থ করতে নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে পুলিশি তল্লাশীর অভিযোগ করেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার।

আজ বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় নগরীর সদর রোডস্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেছেন।

এসময় বরিশাল জেলা (উত্তর) বিএনপি’র সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আকবর, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘দেশব্যাপী নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে বিগত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীদের নেতৃত্বে ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত বাতিল, বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি’র দাবি ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজার প্রতিবাদ জানানো হবে।

এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ- বীর বিক্রম।

এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আওয়াল এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।

তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সমাবেশের অনুমতি চেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে সমাবেশের চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের কোন অনুমতি দেয়নি।

বরং সমাবেশে বাঁধাগ্রস্থ করতে মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বিএনপি’র স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বাসায় বাসায় পুলিশি তল্লাশীর নামে হয়রানি শুরু করেছে। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরোয়ার বলেন, ‘বিরোধী দল হিসেবে আমরা দেশের গণতন্ত্রের কথা বলতেই এই সমাবেশের আয়োজন করেছি। আমরা আশাকরছি আমাদের সমাবেশের অনুমতি দিয়ে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তা না হলে আমরা আমরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে নির্ধারিত দিনেই সমাবেশ করবো। এতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সে দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here