হাটহাজারীতে পথ ও উঠান দখল আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবনের নির্মাণ

কাজ মোঃ আবদুল আউয়াল রোকন  চট্টগ্রাম : হাটহাজারীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে যাতায়তের পথ ও উঠান দখল করে একটি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু অভিযোগ নয় সি আর মামলা ৭১৫/১৯ এবং মিছ মামলা নং ৫৬৩/১৯। উক্ত মামলা চলমান থাকার পরও নির্মাণ কাজ চালাচ্ছেন এসএম ফারুক এমন দাবী ভুক্তভোগী পরিবারের। অভিযুক্ত একজন আইনজীবি হওয়ার পরও কিভাবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এমন প্রশ্ন স্থানীদের। ২৪ অক্টোবর শনিবার বিকাল সাড়ে তিনাটর দিকে মধ্যম মাদার্শা মাদারীপুল এলাকার চুহুর কাজীর বাড়ীতে গিয়ে শ্রমিকদের ওই ভবনের কাজ করছেন। ভুক্তভোগীদের নির্মিত বিল্ডিংয়ের সামনে ৯/১০ ফুট খালি জায়গা আছে তাতে আদেশ অমান্য করে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ একবারে অভিযোগকারীদের দেয়াল ঘেঁষে কাজ করছেন তা দেখা যায়। শুধু তা নয় চলাচলের রাস্তার উপরেও ছাদ বানানোর জন্য সেন্টারিং বসানো হয়। এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবনের নির্মাণ কাজ করায় আদালত অবমাননা হচ্ছে জানিয়ে কাজ বন্ধ করতে হাটহাজারী মডেল থানার এসআই হাবিবকে অবহিত করলে তিনি গড়িমসি করেন। অভিযুক্ত এসএম ফারুকের সামনে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির কাছে বিবাদমান জায়গায় ভুক্তভোগিদের সামনে যে ৯/১০ ফুট উঠান রয়েছে সে জায়গা কি অভিযুক্তদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তারা জানালেন,এসএম ফারুক সাহেবের আগে যে সেমিপাকা ঘর ছিল তা পর্যন্ত ওনার জায়গা জানতাম অনেক আগে থেকেই। তবে এখন শুনছি আবু সুফিয়ানদের ঘরেও তাদের জায়গা আছে। তাই ওদের(আবু সুফিয়ান) ঘরের দেয়াল ঘেঁষে ভবন নির্মাণ করছেন। আমরা তো মাপ জোপ কিছুই বুঝি না। মুন্সিরাই ভাল বলতে পারবে। ভুক্তভোগী আবু সুফিয়ান,আবুল কালাম বলেন, অভিযুক্ত এসএম ফারুক একজন উকিল হওয়ায় সব সময় বিভিন্ন মামলা দিয়ে আমাদের কে হয়রানি করে জায়গা দখল করছেন। তিনি এলাকার কোন সালিশ বিচার মানে না। কেননা আমরা তার কাছ থেকে বাচার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান,থানা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার,চট্টগ্রাম আইনজীবি সমিতি এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। তারপরও কোন নিস্তার পাচ্ছি না। আমাদের সব কাগজপত্র আছে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার সত্তে¡ও এসএম ফারুক তার লোকজন দিয়ে জোরপূর্বক নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে। বিষয়টি পুলিশ কর্মকর্তাদের জানিয়েছে তারপরও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। আমরা এখন নিরুপায় হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনজর কামনা করছি। জানতে চাইলে এসএম ফারুক বলেন, নির্মাণাধীন ভবনের জমিতে তাদের কোনো জমি নেই। এখানে আদালতের নিষেধাজ্ঞা হল ১৪৭ ধারা আছে তা ঠিক। তবে ১৪৭ ধারা কি সেটা জানতে হবে? ১৪৭ ধারা হল রাস্তা সংক্রান্ত মামলা। আমি তো রাস্তা কোন বাধা প্রতিবন্ধকতা করছি না। আমি আমার জায়গায় বিল্ডিং করছি। কিন্তু তাদের কারণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে পারিনি। আপনি তো রাস্তার উপর ছাদ দিচ্ছেন সেটা কি বৈধ? এমন প্রশ্নেরে উত্তরে তিনি জানান, আমাকে স্থানীয় সালিশদাররা কাজ করতে বলেছে তাই। আচ্ছা সে বিষয়টি কি আদালতে জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানাতে পারেনি বলে স্বীকার করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: নুরুল আলম বলেন, তারা উভয় পক্ষ আমার কাছে এসেছেন। তাদের দুই পক্ষ কে নিয়ে একটা বৈঠক করি। উক্ত বৈঠুকে নেয়া সিদ্ধান্ত সমুহ এক পক্ষ মানলেও মানেনি অপর পক্ষ। তারপরও চেষ্টা করছি আপোষ মিমাংসা করার জন্য যেহেতু তারা আপন জেঠত ও চাচতো ভাই। হাটহাজারী মডেল থানার এসআই ও তদন্ত কর্মকর্তা হাবিব বলেন, নিউজ করে দেন কারণ সে পুলিশেরও নিষেধ মানছেন না

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here