বাবুগঞ্জে ব্যার্থতা-সফলতার ইলিশ রক্ষা অভিযানের ১১ দিন

আরিফ হোসেন,বাবুগঞ্জ॥ সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আরিয়াল খাঁ নদী দ্বারা বেষ্টিত বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন। ইতি মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে “মা”ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের ১১ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই উপজেলায় মৎস্য অভিযানকে ঘিরে যেমন রয়েছে ব্যার্থতার গুনঞ্জন তেমনি সফলতার ফিরিস্তিটাও কম লম্বা নয়।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৪ ই অক্টবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৯ টি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে @ লক্ষ টাকা মূল্যের ৭ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুরিয়ে ফেলা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অপরাধে জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও কয়েক জনকে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। ২৮৫ কেজি জব্দকৃত ইলিশ ১৫/২০টি এতিম খানায় দেওয়া হয়েছে বলে জানাগেছে। ভাঙ্গা হয়েছে ৫৫ টির বেশি ডিঙ্গি নৌকা। কিছু কিছু যায়গায় তুবও অসাধু ব্যক্তিদের ছত্র ছায়ায় জেলেরা ইলিশ শিকারে নদীতে নেমে পরেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে দেহেরগতি ইউনিয়নের চরমলেঙ্গা এলাকায় একটি চক্র মাছ শিকার অব্যাহত রেখেছে। তারা অভিযানকারিদের উপর মাঝে মধ্যে চরাউ হয়ে থাকে বলে খবর পাওয়া গেছে। সুগন্ধা নদীর দোয়ারিকা ব্রীজ থেকে চরমলেঙ্গা পর্যন্ত এনায়েত শরিফ নামের ব্যাক্তি পঞ্চাশের অধিক ট্রলার থেকে পাঁচশত টাকা করে উত্তলন করে ইলিশ শিকার করে অাসছে বলে সূত্র জানিয়েছে। কেদারপর ইউনিয়নের সানি কেদারপুর এলাকার জানে অালম নামের একজন ত্রিশজন জেলেদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে মাছ শিকার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান বলেন, নদী গুলোতে প্রতিদিন দিবা-রাত্রি ৪ টি টিম অভিযান করছে। জেলা থেকেও মাঝে মাঝে অভিযানে আসছে। লোকবল সংকটের কারনে প্রত্যান্ত অঞ্চলের কিছু যায়গায় জেলারা মাছ ধরার খবর আসলেও আমরা যথাসাধ্য প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি মৎস্য অভিযান সফল করার জন্য প্রতিবেদকের মাধ্যমে সর্ব সাধারনের সহযোগিতা কামনা করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অামীনুল ইসলাম বলেন, দেশের স্বার্থে সরকারের “মা” ইলিশ রক্ষা অভিযান যে কোন মূল্যে সফল করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here