বৃদ্ধাকে ৫ টুকরো করে ফেলে রাখার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বৃদ্ধাকে ৫ টুকরো করে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ছেলে হুমায়ুন জাড়িত রয়েছে। যদিও সে তার মায়ের হত্যার বাদী ছিলেন। তার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে সহযোগী ছিল তার কসাই বন্ধুসহ মোট ৭জন।

এ ঘটনায় এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, মায়ের জিম্মায় আনা সুদের টাকা পাওনাদারদের না দিয়ে বাঁচতে এবং পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর বৃদ্ধার হত্যার পর মায়ের হত্যার বিচার চেয়েছিলেন মামলার বাদী হুমায়ুন। অথচ সে-ই মায়ের হত্যাকারী তা তখনো কেউ ভাবতে পারেনি।

মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় সাত সহযোগীসহ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি ছেলে জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানান, ঋণের টাকা শোধ করা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই সহযোগীদের নিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে, পরে চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মায়ের মরদেহ খন্ডিত করে বলে স্বীকারোক্তি দেন আসামি হুমায়ূন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কয়েকজন সহযোগীর সাথে ছেলে মাকে খুন করে মরদেহ ৫ টুকরা করে ধান ক্ষেতে ফেলে দেয়।’

এ ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা বাদী হয়ে নিহত বৃদ্ধার ছেলে হুমায়ুনকে প্রধান করে ৭ জনকে আসামি করে মামলা করে। এদের মধ্যে পাঁচজন গ্রেফতার রয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

গত ৭ অক্টোবর বুধবার রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানক্ষেত থেকে ৬০ বছরের নুরজাহান বেগমের পাঁচ টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here