পটুয়াখালীতে ফোনালাপের ঘটনায় কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তিন সাংবাদিকের 

সাঈদ ইব্রাহিম,পটুয়াখালীঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মেসেঞ্জার মাধ্যমে অডিও বার্তা প্রকাশের ঘটনায় কথিত কয়েক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাধারন ডায়েরী (জিডি) করেছেন পটুয়াখালী জেলায় কর্মরত তিন জন সাংবাদিক। সোমবার সকালে ও রোববার রাতে সদর থানায় একই ঘটনায় আলাদা আলাদা জিডি দায়ের করেন কাজল বরন দাস (এনটিভি), সঞ্জয় কুমার দাস (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও মো. জাফর খান (দৈনিক যুগান্তর)। জিডি নং-৫৪৯ ও ৫৭২। সাধারন ডায়েরীতে সাংবাদিক সঞ্জয় দাস লিটু উল্লেখ করেন, পটুয়াখালী জেলার সাংবাদিকদের সুনামে ঈর্শান্বিত হয়ে একটি মহল কথিত সাংবাদিক সেজে জেলার বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজী করছে বলে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলার আইনশৃঙ্খলা সভায় একাধিকবার অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে সুনামের সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমাদের পেশাদারিত্বের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ঈর্শান্বিত হয়ে একটি মহল অপচেস্টা চালিয়ে আসছে এবং কয়েক ব্যাক্তি কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ভাবে চাঁদাবাজী করে আসছে মর্মে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের নিজস্ব মেসেঞ্জার গ্রুপে ১১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে একটি অডিও বার্তা পোস্ট করা হয়েছে। অডিওটিতে শোনা যাচ্ছে যে, কয়েক ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে মোবাইল ফোনে কথোপকথনে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে কথা বলছে। সেখানে সাংবাদিক নামধারী জনৈক জুয়েল সাংবাদিকতা পরিপন্থি কথা বার্তা বলে এবং কয়েক সাংবাদিকের সাথে কথোপকথোনের এক পর্যায়ে আমার ডাক নামও (লিটু) উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত কথোপকথন এবং উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে আমার কিছুই জানা নাই। উল্লেখিত বিষয়ে আমার ডাক নাম জড়িয়ে পেশাদারিত্বের সুনাম এবং সমাজে আমার মান-সম্মান ক্ষুন্ন করার অপচেস্টা চালচ্ছে বলে আমি মনে করি। তাই এর সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করা হয় জিডিতে। এর আগে রোববার রাতে সাংবাদিক কাজল বরণ দাস ও মো. জাফর খান একই ঘটনা উল্লেখ করে কথিত সাংবাদিক কাইয়ুম আহমেদ জুয়েলের ফোনালাপের কথোপকথনের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনসহ প্রতিকার চেয়ে সদর থানায় সাধারন ডায়েরী করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here