বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাউফল প্রতিনিধি:হেই সকালে আইয়া বইয়া রইছি স্যার এ্যাহনো অফিসে আয় নাই। এমনই অভিযোগ করেন সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ।
পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. শাহজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত সময় সূচি অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত না থাকার অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই যথাসময়ে অফিস করেন না তিনি। অনেকেই কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন হচ্ছে- স্যার কয়টায় অফিসে আসে?

রবিবার (১১অক্টোবর) সকাল প্রায় ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায় কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মো. শাহজাদ হোসেনের কার্যালয় তালাবদ্ধ। পিয়ন ছাড়া কেউ নেই। বাহিরে সেবা নিতে আসা অপেক্ষমাণ মানুষের ভীড়। কেউ কেউ বিরক্ত হয়ে চলে যাচ্ছেন।
জমির খাজনা দিতে আসা মো. ইসমাইল মাতব্বর নামের এক ব্যক্তি জানায়, সকাল সাড়ে নয়টায় এখানে আসছি। এখন প্রায় ১১টা। স্যারের দেখা নেই।
এছাড়াও মো. জাকির খাঁন, মো. রফিক ও অর্নব সহ সেবা নিতে আসা আরো কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, সকাল১০টায় অফিস শুরুর কথা। এখন ১১টা বাজলেও তিনি আসেন নি।
ভোগান্তির শিকার এসব মানুষ জানতে চায় কর্তা কয়টায় অফিসে আসে? আর কতক্ষণ আমরা বসে থাকবো? আমাদেরও তো কাজ আছে।

এবিষয়ে কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মো. শাহজাদ হোসেনকে ফোন দিলে তিনি বিরক্ত হয়ে জানান, একদিন দেরি করছি আপনারা মিনিটে মিনিটে ফোন দেন। আমি যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকি। আজ (রবিবার) আমার শ্বাশুড়ি অসুস্থ্য থাকায় দেরি হয়েছে।

বিষয়টি সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুর রহমান বালির দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান, আমি কালাইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মো. শাহজাদ হোসেনকে ফোন দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, আমার শ্বাশুড়ি অসুস্থ্য থাকায় দেরি হয়েছে। মূলত নিয়ম হচ্ছে, কোন কারনে দেরি হলে উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো। আর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা বাহিরে পরিদর্শনে গেলে অফিস রেজিস্টার খাতায় লিখে যাবেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here