বাউফলে খুনের বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

এম মনিরুজ্জামান হিরোন : বাউফলঃ পটুয়াখালীর বাউফলে গত ২ আগস্ট কেশবপুরে দুই পক্ষের কোন্দলের জেরে যুবলীগের দুই কর্মী রাকিব উদ্দিন রুমান ও ইশাদ তালুকদার খুন হওয়ার ঘটনার পুলিশের নিস্ক্রীয়তা ও সংশ্লিষ্টদের বিচার চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
রোববার ৯ আগষ্ট বেলা সারে ১১ টায় কেশবপুর কলেজ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ৩১ জুলাই উপজেলার কেশবপুর বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় ১০ জন আহত হয়েছে। ওই ঘটনার পর কেশবপুর কলেজের অধ্যক্ষ ও কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ উদ্দিন পিকু লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পুলিশ মামলা নিয়ে তদন্ত করলে ২ আগস্ট পূণরায় সংঘর্ষ হতো না এবং জোড়া খুনের ঘটনাও ঘটতো না।
এদিকে কেশবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভুর নির্দেশে তার লালিত সন্ত্রাসিরা ২ আগস্ট সন্ধা সাতটার দিকে কেশবপুর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যুবলীগ নেতা রাকিব উদ্দিন রুমান (৩৫) ও যুবলীগ কর্মী ইশাদ তালুকদার (২৫) কে কুপিয়ে হত্যা করে। রুমান ও ইশাদ সম্পর্কে আপন চাচাতো বাই। এই সকল ঘটনাই পুলিশের নিস্ক্রীয়তার কারণে হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের নিস্ক্রীয়তার বিচার ও চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভুর ফাঁসি দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত রুমানের বড় ভাই ও মামলার বাদি মফিজ উদ্দিন মিন্টু লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এসময় রুমানের বৃদ্ধা মা ফাতেমা বেগম, বোন জেবুন নাহার অনি, ভাই কেশবপুর কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকু সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২ আগস্ট কেশবপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই যুবলীগ কর্মী খুন হওয়ার ঘটনায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভুকে প্রধান আসামি করে ৫৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় মহিউদ্দিন লাভুকে সাময়িক বরখাস্ত করে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here