কিশোরীরা যেভাবে পরিচিতদের ফাঁদে পড়ছে

নিউজ  ডেস্কঃবিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে যাওয়ার কারণে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। তবে এ পরিস্থিতিতেও অনেকেই ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করছে। বাড়িতে বহু কিশোর-কিশোরী অবস্থানের ফলে যৌন হয়রানির ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে বলে ইনোসেন্ট লিভস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ক্রিস হ্যাডনাগি বলেছেন, প্রথমে নগ্ন ছবি নিয়ে পরে প্রতারণা করা হয়। স্বেচ্ছায় দেওয়া বিবস্ত্র ছবি অপরের প্রতারণার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরো বলেন, নির্যাতনকারী শুরুতে বলবে, আমাদের তো সম্পর্ক রয়েছে, আমি এটা দেখেই মুছে ফেলবো। কিন্তু পরে আর তারা সেটা করে না। যে কারণে ডার্কওয়েবে শিশু পর্ন ছবির ছড়াছড়ি।

তিনি আরো বলেন, গত কয়েকমাসে ডার্কওয়েবে এ ধরনের ছবি শেয়ারের হার দ্বিগুণ হয়েছে।

বর্তমানে ১৬ বছর বয়সী চোলে মাত্র ১২ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তার বিবস্ত্র ছবি তুলে রেখেছিল লম্পট আত্মীয়। সেই ছবি দেখিয়ে কিশোরীকে বারবার বলা হয়, এটাই শেষ, এরপর তোমার মুক্তি। কিন্তু মুক্তি আর মেলে না।

২৮ বছর বয়সী ম্যাথিউ বুচার-এর কম্পিউটারে কয়েক হাজার শিশুর নগ্ন ছবি পাওয়া গেছে। চোলে তাকে সাদাসিধে প্রতিবেশি হিসেবেই জানতো। এ ব্যাপারে চোলে বলেছে, যেদিন আমরা প্রথম আলাপ শুরু করি, সেদিন আমি পড়ে গিয়েছিলাম। সে এসে জানতে চাইলো, আমি ঠিক আছি কিনা। এরপর আমাকে ধরে তুলেছিল। তারপর মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের কথা ছিল সম্পূর্ণ গোপন।

ম্যাথিউ বুচারের মা ছেলের ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেনি। কারণ, ছেলে তার কু-কর্মের তেমন প্রমাণ রাখতো না।

চোলে জানায়, ম্যাথিউ আমাকে বলেছে কিছু ছবিটা। ভিন্ন ধরনের সেসব ছবি পাঠাতে রাজি না হওয়ায় সে বলতে থাকে- ও আমি তাহলে তোমার আসল বন্ধু নই। এরপর একদিন বাসায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায় সে। পরে জানতে পারি সেই ঘটনার ভিডিও আছে।

আর এভাবেই চোলের মতো কিশোরীদের জীবনে নেমে আসে কালো দিন।

সূত্র : ফক্স নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here