ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর প্রেমে রাজা এমনকি রাজপুত্রও ছিল পাগ

নিউজ ডেস্কঃভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতির প্রসার ব্যাপক। অতীতের বরেণ্য ব্যক্তিদের কারণেই কিন্তু এই প্রসার বেড়েছে যুগের পর যুগ ধরে। বিশেষ করে কয়েকজন সংগীতশিল্পী এবং নৃত্যশিল্পীর কাহিনীতে ভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতি এখনো উজ্জ্বল হয়ে আছে। তারা নিজেদের অনন্য কাজ দিয়ে জায়গা দখল করে আছেন ইতিহাসের পাতায়।

নৃত্যশিল্পে আম্রপালীর কথা জানেন না অনেকেই। তিনি তার নৃত্যের সুনামের চেয়ে বৈচিত্র্যময় কাজেই বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তিনি ভারতের অন্যতম সেরা কোর্ট নৃত্যশিল্পী ছিলেন। তার জীবনের বেশিরভাগ সময়ই তিনি পার করেছেন নাচের পিছনে। তবে শেষ জীবনে ব্রহ্মচরণের জীবনযাপনের জন্য সমস্ত কিছু ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন আম্রপালী। সব খ্যাতি সম্মান তাচ্ছিল্য করেছিলেন শুধু বুদ্ধের জন্য।

ভারতের অন্যতম সেরা কোর্ট নৃত্যশিল্পী ছিলেন তিনি

ভারতের অন্যতম সেরা কোর্ট নৃত্যশিল্পী ছিলেন তিনি

আম্রপালী যাকে আম্বপালিকা বা আমবাপালি নামেও অভিহিত করা হয়। তার জন্মের সময় অনুমান করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালের দিকে। তার পরিবার, বাবা-মা সম্পর্কে কোথাও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বৈশালী রাজ্যের বাগানের একটি আমের গাছের নিচে তাকে পাওয়া যায় বলে তাকে এই নাম দেয়া হয়েছিল। ব্যুৎপত্তিগতভাবে বলতে গেলে, নামটি দুটি শব্দ থেকে পাওয়া গেছে, এক হচ্ছে আমড়া। যার অর্থ আমের এবং অন্যটি পল্লাওয়া। যার অর্থ ক্ষুদ্র অঙ্কুর বা পাতা। ঘটনাক্রমে তার জন্মের কাহিনী লেখা হয়েছে ১৫০০ বছর আগে।মহানমন নামে এক ব্যক্তি তাকে খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন আম্রপালী শিশু। তার অপরূপ সৌন্দর্যে প্রাণ ভুলিয়ে নিজ রাজ্য ত্যাগ করেন। তিনি বৈশালির একটি ছোট্ট গ্রাম আম্বারায় বাস করতে থাকেন আম্রপালীকে নিয়ে। আম্রপালী ধীরে ধীর বড় হতে থাকেন। হয়ে ওঠেন অসাধারণ মোহনীয় এক সৌন্দর্যের নারী হয়ে। মাত্র ১১ বছর বয়সে বৈশালী শহরের সবচেয়ে সুন্দরী নারী হন তিনি। ওই অঞ্চলের সর্বাধিক সুন্দরী নারী হিসেবে ঘোষিত হন তিনি।বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রেমের ও বিয়ের প্রস্তাবের লাইন পড়ে যায় আম্রপালীর বাড়িতে। তবে তিনি এতে রাজি ছিলেন না। নিজের একটি শক্ত জায়গা তৈরি করতে চেয়েছিলেন বরাবরই।

বৈশালির রাজা মানুদেব একবার শহরে তার অভিনয় দেখেন। আম্রপালীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। তবে সৌন্দর্যের জন্য বেশ অহংকারী হয়ে উঠেছিলেন আম্রপালী। পুষ্পকুমার নামে এক যুবকের সঙ্গে শৈশব থেকেই প্রেমের সম্পর্ক আম্রপালীর। দুজনের প্রেম ছিল খুবই গভীর। এমনকি বড় হয়ে দুইজন বিয়ে করবে এমন সিদ্ধান্তও নিয়েছিল তারা। এসব কারণেই রাজার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আম্রপালী। তবে রাজা মানুদেব কিছুতেই হারাতে চায়নি আম্রপালী। তাই বিয়ের দিন তিনি হত্যা করেন পুষ্পকুমারকে। আর ঘোষণা করলেন, আম্রপালী হলেন বৈশালির বধূ অর্থাৎ নাগরবাদু।

নিজের সৌন্দর্য দিয়ে সম্রাট আর রাজাদের ফেলেছেন প্রেমের ফাঁদে

নিজের সৌন্দর্য দিয়ে সম্রাট আর রাজাদের ফেলেছেন প্রেমের ফাঁদে

রাজার কথা মতোই আম্রপালীকে নাগরবাদু এবং বৈশালির জনপথ কল্যাণী করা হয়। জনপথ কল্যাণী বলতে বোঝানো হত রাজ্যের সর্বাধিক সুন্দরী ও মেধাবী মেয়ে। জনপথ কল্যাণীর এই পদটি সাত বছর পর পর বদলানো হত। যিনি জনপথ কল্যাণী হতেন তার নিজের পছন্দ মতো পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করার অনুমতি ছিল। এমনকি শারীরিক সম্পর্কও করতে পারত তারা।

এই সময় আম্রপালী রাজ্যের কোর্ট ডান্সার ছিলেন। অর্থাৎ প্রধান নৃত্যশিল্পী।আম্রপালীর সৌন্দর্য এবং প্রতিভা খুব দ্রুত দূরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশী রাজ্য মাগধ অঞ্চলের শাসক রাজা বিম্বিসারা প্রতিনিয়ত আম্রপালীর কথা শুনে যাচ্ছিলেন। এসব গল্প তাকে মোহিত করেছিল। রাজা আম্রপালীকে দেখার ইচ্ছা পোষণ করেন। তাই বৈশালি আক্রমণ করে আম্রপালীকে নিজের রাজ্যে নিয়ে আসেন। রাজা বিম্বিসারা ছিলেন একজন দুর্দান্ত সংগীতশিল্পী। প্রায়শই তিনি আম্রপালীকে গান শোনাতেন। তারা দুজন একে অপরের প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই আম্রপালী বিম্বিসার আসল পরিচয়টি জানতে পারেন। রাগান্বিত হয়ে পড়েন আম্রপালী। তৎক্ষণাৎ তাকে যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়ে নিজ রাজ্যে ফিরে যেতে বলেন আম্রপালী। তখন আম্রপালীর প্রেমে অন্ধ প্রায় রাজা বিম্বিসারা। সহজেই তার ইচ্ছায় সম্মতি জানালেন।
বৈশালির বাসিন্দাদের চোখে তিনি কাপুরুষের মতো হয়ে উঠেছেন। তা একবারও ভাবেননি রাজা। পরের কয়েকমাস পরেই আম্রপালীর একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। যার নাম তিনি বিমালা কনন্দনা রাখেন।

বিম্বিসারা সিংহাসন পেতে নিজের পিতাকে কারাগারে বন্দী করেছিলেন। এরপর দখল করে নেন। বলা হয় বিম্বিসারার শেষ পরিণতিও হয়েছিল একই। তার পুত্রই তাকে বিষ দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল। তবে বিম্বিসারা বেঁচে যান। কারাগারে বন্দী রাখা হয় তাকে। তার পুত্রের নাম অজাতশত্রু। তিনি রানি চেলনা এবং বিম্বিসারার পুত্র। খুবই শক্তিশালী আর বুদ্ধিমান ছিলেন তিনি।

তার জীবনী নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক সিনেমা

তার জীবনী নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক সিনেমা

জৈন সংস্করণ অনুসারে, আজাতশত্রু একদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খাওয়ার সময় নিজের নবজাতক পুত্রকে আদর করছিলেন। আর তার মা রানি চেলনাকে জিজ্ঞাসা করেন, তার চেয়ে ভালো পিতা তিনি দেখেছেন কিনা? তখন রানি বলেন, তার পিতা বিম্বিসারাও তাকে কোলে নিয়ে এভাবেই আদর করতেন। এরপর শৈশবের বেশ কয়েকটি ঘটনা বর্ণনা করেন রানি।সব শুনে অজতাশত্রু তৎক্ষণাত স্থির করেন, তার বাবাকে কারাবাস থেকে মুক্তি দেবেন। তিনি একটি হাতে কুড়াল নিয়ে অন্ধকারে ছুটে গেলেন। যাতে সহজেই তার বাবাকে মুক্ত করতে পারেন। তবে কুড়াল হাতে পুত্রকে দেখে বিম্বিসারা তাকে ভুল বোঝেন। ভাবেন তার পুত্র বুঝি তাকে হত্যা করতেই এসেছে। ছেলের হাতে মরতে চাননি। নিজের কাছে লুকিয়ে রাখা তালুপাতা বিষ সেবন আত্মহত্যা করেন বিম্বিসারা।

বাবা হারানোর জন্য অজতাশত্রু অনেক অনুতপ্ত হয়েছিলেন। তবে তার শোক খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।অজতাশত্রু তার সদর দফতর চম্পায় সরিয়ে নিয়ে যান। নিজের রাজ্যার রাজধানী করেন। আর সেখানেই থেকে যান। বাবার মৃত্যুর পরেই অজতাশত্রু মগধের আশেপাশের সমস্ত প্রতিকূল অঞ্চল আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এরপরে তিনি বাজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। যা তৎকালীন লিচ্ছবিরা শাসন করেছিলেন। বৈশালি, কোসালা, কাশী এবং অন্যান্য অনেক প্রতিবেশী অঞ্চলও জয় করেন।

বৈশালি জয়ের পর অজতাশত্রু রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। তখন হঠাৎই তার আম্রপালীর কথা মনে পরে। এর আগে তিনি আম্রপালীর কথা অনেক শুনেছেন। আম্রপালীর সঙ্গে দেখা করে মুগ্ধ হয়ে যান তার সৌন্দর্যে। নিজের ভালোবাসার কথা জানান তাকে। আম্রপালী তার প্রেমে সারা দেন। অজতাশত্রুর প্রস্তাবে রাজি হয়ে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আম্রপালী।

বৈশালির বাসিন্দারা তাদের সম্পর্কের পরিপন্থী ছিলেন।আম্রপালীকে তার দুর্বৃত্ত আচরণের জন্য কারাবন্দী করার দাবি করে। আম্রপালীকে কারাবন্দী ও অসহায় দেখে অজতাশত্রু এতটাই মন খারাপ করলেন যে তিনি পুরো বৈশালিকে পুড়িয়ে ফেললেন। বিশাল গণহত্যায় কয়েক শতাধিক লোক মারা গিয়েছিল। শহরটি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। তবে তিনি দেখলেন, তার প্রেমিকা আম্রপালী পুরোই সুস্থ আছেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার সময় আক্রমণের ফলে তার মাতৃভূমিতে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তা দেখে তিনি দুঃখিত হন। অজতাশত্রুর প্রতি বিরক্ত হয়ে সে তার কাছ থেকে সরে যায়।

এখন নিশ্চয় ভাবছেন, অজতাশত্রুর পিতা বিম্বিসারের প্রেমিকা ছিলেন আম্রপালী। তাদের একটি ছেলেও আছে। তাহলে অজতাশত্রুর সঙ্গে কীভাবে তার প্রেম হয়? মজার বিষয় হলো, আম্রপালী জানতেন যে আজতাশত্রু তার প্রেমিকের ছেলে। সে তার নিজের পিতাকে হত্যা করেছিল। এমনকি তার নিজের সন্তানের পিতার হত্যাকারীও সে।

অজতাশত্রু অবশেষে একটি বিশাল রাজ্যের রাজা হয়ে উঠলেন। যা চন্ডীগড়, উত্তরাখণ্ড, বিহার, হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, ছত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ সহ ঝাড়খণ্ডের এক বিস্তৃত অঞ্চল।এক চতুর্থাংশসহ বর্তমান উত্তর ভারতের প্রায় সমস্ত অঞ্চল জুড়েছিল পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশও। অজাতশত্রু তৎকালীন উত্তর ভারতের অন্যতম শক্তিশালী শাসক হিসাবে বিবেচিত। মগধের সুরক্ষা আরো জোরদার করার জন্য তার দুই মন্ত্রী সুনিধ ও ভাসাকারার সহায়তায় তিনি গঙ্গার তীরে একটি বিশাল দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। তিনি এই স্থানটির নাম রাখেন পাটালি গ্রামা। যা পরবর্তীতে পাটালিপুত্র (আধুনিক পাটনা) হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছিল।

মহাপরিনির্বাণ সূত্র থেকে জানা যায়, পাটলিপুত্র যখন তৈরি হচ্ছিল, তখন বুদ্ধ এই শহরে আসেন। আর এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এর প্রশংসা করেছিলেন। তবে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, তিনটি জিনিস শহরের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। যেমন সেখানে বাসিন্দাদের মধ্যে পানি, আগুন এবং সাধারণ বিভেদ।

অবশেষে বুদ্ধের ধর্ম অনুসরণ করে সন্ন্যাস জীবন বেছে নেন

অবশেষে বুদ্ধের ধর্ম অনুসরণ করে সন্ন্যাস জীবন বেছে নেন

বৌদ্ধ ও জৈন রীতিতে আজতাশত্রুর মৃত্যুর হিসাব আলাদা। কিছু জায়গায় বলা আছে, খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার নিজের পুত্র উদয়ভদ্র তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলেন। কারণ ছিল রাজ্য দখল। অজতাশত্রু তখন লোহাকুম্বিয়া নামক জায়গায় পুনর্বার জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অন্য একটি সংস্করণ অনুসারে, বিশ্বাস করা হয় তিনি বহু জন্মের মধ্য দিয়ে গেছেন, শেষ অবধি তিনি জ্ঞানী রাজপুত্র হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যিনি পরবর্তী সময়ে সন্ন্যাসী হন এবং নির্বাণ লাভ করেছিলেন।এরই মধ্যে আম্রপালী বুদ্ধের জীবন ও শিক্ষা সম্পর্কে অনেক কিছু শুনেছিলেন। তাকে দেখতে এবং তার কাছে খাবার পরিবেশন করার ইচ্ছা পোষণ করেন সুন্দরী এই নারী। যদিও বৈশালির সাধারণ জনগণ এর বিরুদ্ধে ছিল। তবে বুদ্ধ তা গ্রহণ করেন। কারণ এটি শাসক অভিজাতদের সরাসরি আমন্ত্রণ ছিল। একজন শিহরিত আম্রপালী বুদ্ধকে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করেন। তাকে তার পুনর্বাসনে খাবার সরবরাহ করেছিলেন।

তিনি এসময় বুদ্ধের কাছে সন্ন্যাসী হওয়ার ইচ্ছা জানান। এজন্য তাকে সৌজন্য হিসেবে তার পদ ত্যাগ করতে হবে। তাতেও এক কোথায় রাজি হয়ে যান আম্রপালী। বাকি জীবন তিনি সক্রিয়ভাবে বৌদ্ধ ধর্মকে সমর্থন করেছেন। আম্রপালী এতিম হয়েও সারা জীবন বিলাসিতার মধ্যে জীবন যাপন করেছেন। সৌন্দর্যের মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। সম্রাট আর বাদশাহদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় সম্পর্কে জড়িয়েছেন, নাচ এবং অভিনয় করেছেন। তবে একসময় আত্মপলদ্ধি জেগে ওঠে তার। সন্ন্যাস জীবন বেছে নেন তিনি। সব খ্যাতি, সৌন্দর্য আর ক্ষমতা বিসর্জন দিয়ে বেছে নেন অন্য এক জীবন।

১৯৬২ সালে, বিমালা রায়না কথাসাহিত্যের একটি অনন্য রচনা লিখেছিলেন, যার নাম আমবাপালি। এটি বৈশালির একজন সুন্দরী নারীর কথা লেখেন। যিনি পরবর্তীতে বুদ্ধের অনুসারী হয়েছিলেন। এছাড়াও আচার্য চতুরসেনের লেখা ‘বৈশালী কি নগরবাদু’ সহ আরো কিছু রচনায় পাওয়া যায় আম্রপালীর জীবনী। এর মধ্যে দ্য লিজেন্ড অব আম্রপালী বইটি লিখেছেন অনুরাগ আনন্দ।

তার জীবন ও সময় নিয়ে বেশ কয়েকটি বায়োপিক চিত্রায়িত হয়েছে। তাদের মধ্যে সর্বাধিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘আম্রপালী’। যেটি ১৯৬৬ সালে মুক্তি পায়। সেখানে আম্রপালীর চরিত্রে বৈজয়ন্তিমালা এবং রাজা অজতাশত্রুর চরিত্রে সুনীল দত্তকে দেখা যায়।
২০০২ সালে ভারতীয় জাতীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্কে (দূরদর্শন) আম্রপালী নামে একটি সিরিয়াল প্রচারিত হয়েছিল। পরে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হেমা মালিনী একটি টিভি সিরিজে প্রযোজনা এবং পরিচালনা করেন। উইমেন অব ইন্ডিয়া নামে সিরিজটিতে আম্রপালীর চরিত্রে নিজেই অভিনয় করেন। এই সিরিজে তিনি আম্রপালীর গল্পটি উপস্থাপন করেছেন।