হিজলা মৃত মেয়েকে নিয়ে বাবার বানিজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধিঃশরীরে আগুন লেগে র্দীঘ ৮ দিন চিকিৎসার পরে হাসপাতালে মারা যায় ইসরাত জাহান ইমা। গ্রামের বাড়ী বরিশাল জেলাধীন হিজলা থানার মহিষখোলা। মৃত্যুর পূর্বে ইমা ৮ মিনিট ১৩ সেকেন্ড এর একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়ে যান তার মৃত্যু আসল ঘটনা। ওই ভিডিওতে ইমা নিজেই বর্ণনা দেন শরীরে আগুণ লাগার কারন।

 

ইমা দাবী করেন তিনি রান্না ঘরে কাজ করতে গিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণেই তার শরীরে আগুন লেগেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনিষ্টিটিউব অব বার্ন ও প্লাষ্টিক সার্জারি হাসপাতেলে মারা যায় ইমা। নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় হাসপাতাল ও ঢাকার শাহাবাগ থানা পুলিশের কাছে লিখিত পত্র দিয়ে লাশ গ্রামের বাড়ী বরিশাল জেলার হিজলা থানাধীন মহিষখোলা গ্রামে এনে মাটি দেন। অথচ, চলতি মাসের ২১ তারিখ নিহতের বাবা শফিকুল ইসলাম মাসুম বাদী হয়ে ৪জনকে আসামী করে হিজলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

বর্তমানে মাসুমের দাবী তার মেয়েকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। জামাই মো: মহসিন রেজা, রেজার ভাই মোস্তাফা ব্যাপারী, রেজার বাবা মো: হাজ্বী দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারী ও শাহানাজ কে আসামী করে মামলা করেন। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১১ তারিখ ইসরাত জাহান ইমা তার স্বামীর বাড়ীতে বসে রান্না ঘরে কাজ করতে ছিল। এসময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণেই তার শরীরে আগুন লেগে যায়। সাথে সাথে স্বামী মহসিন সহ তার পরিবার প্রথমে স্থানীয় হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয়। সেখানের কর্তব্যরত ডাক্তার আশংকা জনক দেখলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনিষ্টিটিউব অব বার্ন ও প্লাষ্টিক সার্জারি হাসপাতেলে রেফার করেন।

 

পর চলতি মাসে ১৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হন ইসরাত জাহান ইমার। তবে মহসিনের অভিযোগ তার শশুর শফিকুল ইসলাম মাসুমের কাছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যবসার কাজে দেয়া ছিল। বর্তমানে ওই টাকা আত্¥সাত করার জন্যই এই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবিষয় গুরুত্ব সহ কারে তদন্ত করলেই মৃত্যু ও মিথ্যা মামলার রহস্য বেড়িয়ে আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here