অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সুন্দরীদের সাথে উলঙ্গ ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল

নিজস্ব প্রতিনিধিঃসিএনজিতে বসে অথবা পাশে দাঁড়িয়ে আছে এক/দুই সুন্দরী নারী। যাত্রী হিসেবে অন্য কেউ ওই নারীর সহযাত্রী হতে চাইলেই ফেঁসেছে গেছে হাজারো যাত্রী। যাত্রীবেশি সুন্দরী নারীর অন্য সহযোগীরা এসে ওই ব্যক্তিকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রথমে জিম্মি করে।

পরে তাদের আস্তনায় নিয়ে গিয়ে সুন্দরীদের সাথে উলঙ্গ ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে। বগুড়া পুলিশ জেলার শিবগঞ্জ থেকে এ ধরনের একটি চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার চক্রের সদস্যরা তাদের নানা অপকর্মের বর্ণনা দিয়ে আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ জানায়, এই সেক্সগার্ল ট্যার্প চক্র বগুড়া শহরে একাধিক রয়েছে। বিভিন্ন সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছে একাধিক চক্র।

তবে উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের চক্রের দেখা মিললো এবারই প্রথম। ১৫ জনের এই দলে কমপক্ষে ৫ জন সুন্দরী মহিলা রয়েছে।

এরা টার্গেট করা ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করতে টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বগুড়া শিবগঞ্জে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে অভিনব কায়দায় ব্ল্যাকমেইল করার পর ধরা পড়ে এই চক্রের সাত সদস্য।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শিবগঞ্জের নাটমরিচাই গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে মাসুদ রানা (২৬), একই গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে শাকিল আহম্মেদ, মীরের চক গ্রামের লেবু ড্রাইভারের ছেলে বিপুল আকন্দ (৩০), সংসারদিঘী গ্রামের নাছের উদ্দিনের দুই স্ত্রী তানজিলা বেগম (২৬) ও মাহফুজা বেগম (৩৫), নাটমরিচাই গ্রামের দুলু মিয়ার মেয়ে সাথী বেগম (৩৫) ও সংসারদিঘী পশ্চিম পাড়া গ্রামের সোহরাবের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫)। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বলেন, সুন্দরী নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার একাধিক চক্র রয়েছে।

পুলিশের ভয়ে এরা বিভিন্ন উপাই বের করে তাদের কাজ চালিয়ে যায়। অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়গুলো থানায় অবগত করে না।

যার কারণে বেশিরভাগ ঘটনাই থেকে যায় অজ্ঞাত। তবে বগুড়া শিবগঞ্জের ঘটনাটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলা শহর বাদ দিয়ে উপজেলাগুলোতে এ ধরনের চক্রের শক্ত অবস্থান এটি ভাবা যায় না।

এখন তদন্ত করলে আরও অনেক সূত্রই মিলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here