বরিশালে প্রতারকচক্রের হোতা অারিফের গোমর ফাঁস!

আরিফ হোসেন : এক মুঠো ভাতের জন্য গৃহপরিচালিকা মায়ের আশায় যার দিন কাটতো। বড় হয়ে হয়ে কুলিগিরি করে যার পেটের আহার জুটতো সেই কিনা এখন কোটিপতি। সিনেমায়ার পর্দায় এ ঘটনা গুলো হরহামেষা দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে এ ঘটনা কল্পনাপ্রসূত। তবে এমনই এক কোটিপতির সন্ধান পাওয়া গেছে নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের চহঠা এলাকায়। নগরীর বাঘিয়া এলাকাসহ লৎফর রহমান সড়কে রয়েছে সম্পাদ । অর্থ, বাড়ি,গাড়ি ,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি,এছাড়া প্রতিদিন তার আয় অর্ধ লক্ষাধীক টাকা। তিনি আর কেউ নন সুদ ব্যাবসায়ী আরিফ তালুকদার। সে ৩০ নং ওয়ার্ডের চহঠা গ্রামের তালুকদার বাড়ির মৃত রহমান তালুকদারে ছেলে আরিফ তালুকদার । অনুসন্ধানে জানা গেছে , আজ থেকে ২৭ বছর পূর্বে মায়ের হাত ধরে বরিশাল নগরীতে আসে আরিফ। অতিকষ্ঠে দিন কাঠে আরিফ পরিবারের। কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ এলাকায় একটি মুরগির দোকানে ছয়শত টাকা বেতনের কাজ করতেন আরিফ। ওই দোকান মালিকের ভাইর মৃত্যুর পর বেশ কিছু অর্থ হাতিয়ে নেয় আরিফ। অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পর সেখান থেকে ছটকে পরে আরিফ। এরপর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি আরিফকে। প্রথমে ২২ নং ওয়ার্ড জিয়া সড়ক এলাকায় মুরগীর ফার্ম দেয় সে। ওই মুরগীর ফার্ম থেকে তেমন লাভোবান হননি। অন্য দিকে নথুল্লাবাদ কাঁচা বাজারে পাশে দুইটি মুরগী বিক্রি করার দোকান ভাড়া নেয়। পাশাপাশি ২৮ নং ওয়ার্ডে ফিসারি রোডে একটি চালের আরৎ পরিচালনা করে। ব্যবসা মন্দা থাকায় অথিক লাভের জন্য সোলনা গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের ভুল বুঝিয়ে টাকা ধার দিয়ে বেশি টাকা দাবী করে বসে ওই সুদ ব্যাবসী। সোলনা এলাকার বিভিন্ন পন্যের ডিলার সিপ আরিচ বলেন আমি চেক দিয়ে সামান্য কিছু টাকা ধার নিয়েছি কিন্তুু আরিফ আমার কাছে বেশি টাকা দাবী করে বশে । দাবিকৃত টাকা না দিলে চেক মামলা দেয়ার হুমকি দেয় সে । একই এলাকার মুরগী ও মুদি ব্যবসায়ী রহমান ও মতি বলেন, আরিফের সুদের টাকা দিতে দিতে আমার আজ সব শেষ ,এখন আমি নিস্ব। সুদ গুনতে গুনতে আসল টাকা শেষ হয়না । এমন হাজারো অভিযোগ রয়েছে চহঠা এলাকার নিরহ মানুষের মুখে । উল্লেখ, বুধবার (১১ মার্চ) প্রেমের ফাঁদ ও যৌন সর্ম্পকের প্রলোভন দেখিয়ে উচ্চবিত্তদের ফাঁদে ফেলে মুক্তিপন আদায়কারী চক্র আটক করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। এক ঠিকাদারের দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের ১০ জনকে আটক করে গোয়েন্দা শাখা। দুই মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে ‘টার্গেট ধনাঢ্যদের’ কাছ থেকে চাহিদামাফিক অর্থ হাতিয়ে নেয় প্রতার চক্র। ডিবি পরিচয়ে শারীরীক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। সেদিন প্রতারক চক্রের মধ্যে আরিফুর রহমান তালুকদার আটক হন । সুত্র বলছে, আরিফকে জিগাসাবাদ করলে বেড়িয়ে আসতে পারে চালঞ্চ্যকর তথ্য। এবিষয় মহানগর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ (পিপিএম) বলেন,আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড ডাকা হয়ে ছিলো,আদালত ছয়জনকে জেলগেটে বরিশাল থেকে ঘুরে এসে আরিফ হোসেন ॥ এক মুঠো ভাতের জন্য গৃহপরিচালিকা মায়ের আশায় যার দিন কাটতো। বড় হয়ে হয়ে কুলিগিরি করে যার পেটের আহার জুটতো সেই কিনা এখন কোটিপতি। সিনেমায়ার পর্দায় এ ঘটনা গুলো হরহামেষা দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে এ ঘটনা কল্পনাপ্রসূত। তবে এমনই এক কোটিপতির সন্ধান পাওয়া গেছে নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের চহঠা এলাকায়। নগরীর বাঘিয়া এলাকাসহ লৎফর রহমান সড়কে রয়েছে সম্পাদ । অর্থ, বাড়ি,গাড়ি ,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি,এছাড়া প্রতিদিন তার আয় অর্ধ লক্ষাধীক টাকা। তিনি আর কেউ নন সুদ ব্যাবসায়ী আরিফ তালুকদার। সে ৩০ নং ওয়ার্ডের চহঠা গ্রামের তালুকদার বাড়ির মৃত রহমান তালুকদারে ছেলে আরিফ তালুকদার । অনুসন্ধানে জানা গেছে , আজ থেকে ২৭ বছর পূর্বে মায়ের হাত ধরে বরিশাল নগরীতে আসে আরিফ। অতিকষ্ঠে দিন কাঠে আরিফ পরিবারের। কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ এলাকায় একটি মুরগির দোকানে ছয়শত টাকা বেতনের কাজ করতেন আরিফ। ওই দোকান মালিকের ভাইর মৃত্যুর পর বেশ কিছু অর্থ হাতিয়ে নেয় আরিফ। অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পর সেখান থেকে ছটকে পরে আরিফ। এরপর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি আরিফকে। প্রথমে ২২ নং ওয়ার্ড জিয়া সড়ক এলাকায় মুরগীর ফার্ম দেয় সে। ওই মুরগীর ফার্ম থেকে তেমন লাভোবান হননি। অন্য দিকে নথুল্লাবাদ কাঁচা বাজারে পাশে দুইটি মুরগী বিক্রি করার দোকান ভাড়া নেয়। পাশাপাশি ২৮ নং ওয়ার্ডে ফিসারি রোডে একটি চালের আরৎ পরিচালনা করে। ব্যবসা মন্দা থাকায় অথিক লাভের জন্য সোলনা গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের ভুল বুঝিয়ে টাকা ধার দিয়ে বেশি টাকা দাবী করে বসে ওই সুদ ব্যাবসী। সোলনা এলাকার বিভিন্ন পন্যের ডিলার সিপ আরিচ বলেন আমি চেক দিয়ে সামান্য কিছু টাকা ধার নিয়েছি কিন্তুু আরিফ আমার কাছে বেশি টাকা দাবী করে বশে । দাবিকৃত টাকা না দিলে চেক মামলা দেয়ার হুমকি দেয় সে । একই এলাকার মুরগী ও মুদি ব্যবসায়ী রহমান ও মতি বলেন, আরিফের সুদের টাকা দিতে দিতে আমার আজ সব শেষ ,এখন আমি নিস্ব। সুদ গুনতে গুনতে আসল টাকা শেষ হয়না । এমন হাজারো অভিযোগ রয়েছে চহঠা এলাকার নিরহ মানুষের মুখে । উল্লেখ, বুধবার (১১ মার্চ) প্রেমের ফাঁদ ও যৌন সর্ম্পকের প্রলোভন দেখিয়ে উচ্চবিত্তদের ফাঁদে ফেলে মুক্তিপন আদায়কারী চক্র আটক করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। এক ঠিকাদারের দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের ১০ জনকে আটক করে গোয়েন্দা শাখা। দুই মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে ‘টার্গেট ধনাঢ্যদের’ কাছ থেকে চাহিদামাফিক অর্থ হাতিয়ে নেয় প্রতার চক্র। ডিবি পরিচয়ে শারীরীক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। সেদিন প্রতারক চক্রের মধ্যে আরিফুর রহমান তালুকদার আটক হন । সুত্র বলছে, আরিফকে জিগাসাবাদ করলে বেড়িয়ে আসতে পারে চালঞ্চ্যকর তথ্য। এবিষয় মহানগর গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ (পিপিএম) বলেন,আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড ডাকা হয়ে ছিলো,আদালত ছয়জনকে জেলগেটে জিগাসা বাদ করার আদেশ দেন। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত স্বার্থে কিছু বলা যাবে না। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত স্বার্থে কিছু বলা যাবে না।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here