বাবুগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে দিয়ে যে নাটক সাজালেন ‘মা’ !

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ মানুষের বিবেক কতটা নিচে নামলে নিজের শিশু কন্যাকে হাতিয়ার বানিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পারে তার একটি চিত্র ফুটে উঠেছে বরিশালের বাবুগঞ্জে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে।জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপিরনের অভিযোগ এনে রবিবার মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় নারি ও শিশু নির্যাতন আইনে ৬০ বছরের বৃদ্ধকে অভিযুক্ত করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন চাঁদপাশা ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের মেয়ে গাজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী ভিকটিম ফাতেমা আক্তার কুসুম (৫) এর মা হোসনেয়ারা বেগম বলে জানিয়েছে অভিযুক্তের পরিবার।

ওই মামলায় একই এলাকার বৃদ্ধ কালাম সিকাদর (৬০) জেল হাজতে রয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, কামরুজ্জামান তার বসত ঘরের পাশে কালাম সিকাদার গংদের গাজীপুর মৌজার খতিয়ান নং-৪৪৪/৬৬ এর ৪১৪,৪১৬ দাগের ১২ শতকের ৬ শতক জমিতে বাথরুম ও গোয়াল ঘর নির্মান করে দখল নিচ্ছিল।

কালাম গং সিকাদার ওই দখল দারিত্বে বাধা প্রদান করলে বেশ কিছু দিন বিরোধ চলে আসছিলো। জমি দখলের বিষয়টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতেই যৌন নিপিরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। এলাকায় সোমবার ৮ জুলাই থেকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুললেও মামলায় ১৩ জুলাই শনিবার ঘটনার দিন দেখানো হয়। এলাকায় বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারি ও অভিযুক্তের বাসা সংলগ্ন গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন খান বলেন, দুই পরিবারের মধ্যে গোয়াল ঘর উত্তলন নিয়ে বিরোধ চলছিলো। মামলা দায়েরর ৪/৫দিন আগে যৌন নিপিরনের অভিাযোগের কথা শুনেছি তবে সত্যতা নিয়ে সন্ধেহ আছে।

স্থানীয় অবসারপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আমির হোসেন খান বলেন, কালাম সিকাদারের ৬০ বছর বয়সে কোন দিন এরকম শুনিনি। এটা শ্রেফ উদ্দিশ্য প্রনেদিত। স্থানীয় একটি কুচক্রি মহল মামলা দিতে প্রনোদনা দিয়েছে।

এব্যপারে শিশু কন্যা ফাতেমা আক্তারের বাবা কামরুজ্জামন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এব্যপারে আমার স্ত্রী(মামলার বাদি) ভালো বলেতে পারবে।ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য জুয়েল মোল্লা বলেন, ৩য় ব্যক্তির ইন্দনে মামলাটি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here