জবি ছাত্রলীগের নেতৃত্বের আলোচনায় যারা

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার প্রায় ৫ মাস পর ২০ জুলাই নতুন করে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় কমিটি।

গত শনিবার (৬ জুলাই) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী কর্তৃক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্মেলন আয়োজন নিমিত্তে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। সম্মেলন যতই ঘনিয়ে আসছে পদ প্রত্যাশি নেতাদের দৌড়ঝাঁপ আরো বেড়ে যাচ্ছে।

সম্মেলন উপলক্ষে নেতাকর্মীরা প্রায় প্রতিদিন ক্যাম্পাসে উপস্থিত হচ্ছেন। অনুসারীদের নিয়ে ক্যাম্পাস পদক্ষিণ করে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিচ্ছে। সম্মেলনকে ঘিরে শাখা ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশি নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে লবিং তদবির করে যাচ্ছেন। নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়ার জন্য পদ প্রত্যাশি নেতারা মধুর ক্যান্টিন, ডাকসু ভবন এবং আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসে ধরনা দিচ্ছেন। অনেকেই আবার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের সাথে নিয়োমিত যোগাযোগ রাখছেন।

কোনো কোনো পদ প্রত্যাশিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নানা ধরনের কাজে লিপ্ত হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তাদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জবি ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশি দের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, যুগ্ম আহবায়ক সাবেক সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফরায়েজি, সৈয়দ শাকিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসনে মুবারক রিশাদ, নাজমুল আলম, তারেক আজীজ, সহ-সভাপতি আল আমিন শেখ, উপমুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক (শরীফ-সিরাজ কমিটি) নাহিদ পারভেজ, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য আদম সাইফুল্লাহ, আনিসুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার, আসাদুল্লা আসাদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, আক্তার হোসেন, সাবেক সহ সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক শাহবাজ হোসেন বর্ষণ, সাবেক সহ সম্পাদক মোল্লা আনোয়ার হোসেন (সজীব), উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সৈকতুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রেমকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় শাখা সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটনায় জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি আবারও ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনভর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে সাংবাদিকসহ ৪০ জন আহত হয়। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here