সৃজনশীল মানুষ গড়তে রবীন্দ্র-নজরুল চেতনার বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি জাতি ও সাহিত্যকে নিজেদের পরিমণ্ডল ছাপিয়ে বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তারা দু’জন অবিভক্ত বাঙালির চেতনা ও মূল্যবোধের কবি ছিলেন। আগামীর নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রবীন্দ্র-নজরুল চেতনার উপর ভিত্তি করে সৃজনশীল মানুষ গড়ার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন কবি-সাহিত্যিকরা। ঢাকা কলেজের উদ্যোগে গতকাল ঢাকা কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বক্তারা এ সব কথা বলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্র সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক নাজ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কবি কামাল চৌধুরী, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শামীম আরা বেগম প্রমুখ।

কবি কামাল চৌধুরী বলেন, রবীন্দ্রনাথ তার সময়ে আধুনিক থেকেছেন। অগ্রসর ছিলেন এবং এখনও আছেন। রবীন্দ্রনাথ শুধু সাহিত্য চর্চা করেননি, সমাজ সংস্কার, কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠাসহ নানা সংস্কারমূলক কাজ করে মানুষের জীবন ও জীবনের মূল্যোবোধকে পরিবর্তন করে দিতে কাজ করেছিলেন। সত্যিকারের সৃজনশীল মানুষ তৈরি করার মূল চেষ্টা ছিলো তার কর্মে।

তিনি বলেন, আগামীর নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে রবীন্দ্র-নজরুল চেতনার উপর বিক্তি করে সৃজনশীল মানুষ গড়ার বিকল্প নেই। রবীন্দ্রনাথের কাজগুলো সমকালীন সময়ে নজরুল পেরেছিলেন। নজরুল নানা প্রতিবন্ধকতার পরেও তুখোড় প্রতিভাবান একজন স্বাধীন চেতা মানুষ ছিলেন। মাত্র ২৩ বছরে বাঙালি জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। বাঙালির জয় হোক এ কথা একমাত্র নজরুলই প্রথম বলেছিলেন।

লিয়াকত আলী লাকি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নজরুল ইসলাম বাঙালি জাতি ও সাহিত্যকে নিজেদের পরিম-ল ছাপিয়ে বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তারা দু’জন অবিভক্ত বাঙালির চেতনা ও মূল্যবোধের কবি ছিলেন। তাদের চেতনা আমাদের কাটাতারের সীমান্ত থেকেও আলাদা সম্মিলিত জাতি গড়ে তুলে। বাঙালিকে অসাম্প্রদায়িক জাতি হিসেবে গড়ে তোলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here