শতভাগ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাবে ডিসেম্বরের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ গ্রামে বিদ্যুৎতায়ন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নসরুল হামিদ বৃহস্পতিবার (২১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা জানান।

আওয়ামী লীগের সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নোত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকলে সাধারণত বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকে না। তবে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এয়ারকন্ডিশনার ও ফ্যানে লোড বেড়ে যায়। সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা, গ্যাস সরবরাহের অপ্রতুলতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। এই অবস্থায় বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মনিটরিং করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের উত্তরে নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন এলাকায় ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়েছে। অবশিষ্ট ১০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতায়নের কাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ গ্রামে বিদ্যুৎতায়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্য হাজেরা খাতুনের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার সবার জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক জ্বালানীর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জ্বালানী বহুমুখীকরণ (দেশীয় ও আমদানি করা কয়লা, গ্যাস ও এলএনজি, তরল জ্বালানী) ও বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার গৃহস্থলিতে এলপি গ্যাস ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে। এজন্য শিল্প-কারখানায় সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারকে উৎসাহিত করে গৃহস্থলিতে পাইপ লাইনে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here