বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:১৮ অপরাহ্ন

বখাটের ছুরিকাঘাতে আহতছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ক্রাইম ফোকাস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১০ জুন, ২০১৮
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘায় এক অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদকারীকে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত সেই ছাত্রলীগ নেতা সুজন আলীর বাড়িতে দেখতে আসেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি। রোববার দুপুরে তার বাড়িতে এসে খোঁজ খবর নেয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় প্রশাসনকে আসামীদের গ্রেফতার করে আইনী আওতায় নেয়ার নির্দেশ দেন। বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত সেই ছাত্রলীগ নেতা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুই সপ্তাহ আইসিইউতে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছিল। সেখানে তিনি কিছুটা সুস্থ্য হয়ে নিজ বাড়ি কিশোরপুর গ্রামে আনা হয়।
জানা যায়, উপজেলার আলাইপুর গ্রামে আবদুর রাজ্জাকের ছেলে বখাটে সবুজ হোসেন একই এলাকার অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করত। এর প্রতিবাদ করে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলার কিশোরপুর গ্রামের আজিম আলীর ছেলে সুজন আলী। তাৎক্ষনিক বখাটে সবুজ আলী, লালন আলীসহ ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল ধারালো হাসুয়া, চাকু ও লাঠি নিয়ে তার উপর আক্রমন করে। আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুজন আলীর পেটে বখাটের চাকুর আঘাতে ভূড়ি বের হয়ে যায়। তাকে দুই সপ্তাহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিএইতে নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখা হয়। তার চিকিৎসকা শেষে বাড়িতে আনা হয়। তবে এই ঘটনার পরের দিন স্কুল ছাত্রীর চাচা বাদি হয়ে ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করেন।
স্কুল ছাত্রীর চাচা এই প্রতিবেদকে জানান, আমার ভাতিজা স্থানীয় আলাইপুর হাইস্কুলে পড়ালেখা করত। তাকে প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করে সবুজ হোসেন নামে এক বখাটে। বিষয়টি সবুজের পরিবারকে জানানো হয়। কিন্তু সবুজের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়না। নিরুপায় হয়ে তার উত্ত্যক্ত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এলাকা থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দুরে মেয়ের নানার বাড়ির বড়বড়িয়া হাইস্কুলে ভর্তি করে দেয়া হয়। সেখানেও সবুজ রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করে। দীর্ঘদিন পর মেয়ের স্কুল রমজানের ছুটিতে বাড়িতে আসে। ২১ মে সন্ধ্যায় ইফতারের আগে উপজেলার আলাইপুর গ্রামের সবুজ হোসেন, লালন হোসেনসহ ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি দল মেয়ের বাড়িতে এসে অকথ্যভাষায় কথা বলে। প্রথমে এর প্রতিবাদ করে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন আলী। এ সময় তারা সুজন আলীসহ মেয়ের পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর