তাপদাহে পুড়ছে নাটোর

নাটোর প্রতিনিধি:নাটোর পুড়ছে প্রচণ্ড তাপদাহে। খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ মাত্রা ছাড়িয়েছে। তবুও জীবিকার জন্য খেটে খাওয়া মানুষ তীব্র গরম উপেক্ষা করে কাজ করছে। কাঠফাটা রোদে ভোগান্তির মুখে পড়েছে পথচারীরাও।

শনিবার বিকেল ৪টায় নাটোরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন সড়কগুলোতে যান চলাচল কমে যাচ্ছে। মানুষ একান্ত কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বেরুচ্ছে না। হিটস্ট্রোক এড়াতে শিশু থেকে শুরু করে সবাই নদী, পুকুরে নেমে শরীর জুড়িয়ে নিচ্ছে।

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের (আরএমও) ডা মাহাবুর হোসেন জানান, এই গরমে মানুষের স্বাভাবিক জীবন বাধার মুখে পড়েছে। পাতলা পায়খানা আর সর্দি জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ জন করে ডায়রিয়া রোগী নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তী হচ্ছে। এ কারণে গ্রামাঞ্চলে ডায়রিয়া আর জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। অতিরিক্ত গরমে বেশি বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

অপরদিকে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাতে ৪ থেকে ৫ বার করে লোডশেডিং থাকছে। এতে করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। সকাল থেকে শহরের উত্তর বড়গাছা, দক্ষিণ বড়গাছা, চকরামপুর, আলাইপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় সাড়ে তিনঘন্টা লোডশেডিং ছিল।

তাপদাহ এভাবে অব্যাহত থাকলে জেলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় আশংকা দেখা দিয়েছে।

এই অবস্থায় কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন- বৃষ্টি না হলে আর তাপমাত্রা এই অবস্থায় থাকলে জমিতে সেচের পরিমাণ বাড়ানোর হবে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here