‘সেক্স ডল’র আগ্রহ পুরুষের, কমতে পারে নারীর প্রতি আসক্তি!

নিউজ ডেস্ক :  উন্নত দেশগুলোতে প্রতিনিয়ত ঘটছে বিবাহ বিচ্ছেদ। এরপরে আর বিয়েই করছেন না তারা। বাকি জীবনটা একাই কাটিয়ে দিচ্ছেন। তেমনই একজন ৬০ বছর বয়সী ব্রিক ডোলব্যাঙ্গার। সম্প্রতি তারো বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে। তিনি নাকি আর বিয়েই করবেন না।

তাই বলে জীবনকে তো আর একা একা টেনে নিবেন না। এই কারণে তিনি নারী সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন ‘সেক্স ডল’!

আধুনিক যুগে এসে এই সময়ে ‘সেক্স ডল’, নতুন এক বিপ্লব শুরু করছে মানবজাতির মধ্যে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রতি আসক্তিও বাড়ছে মানুষের। ফলে অনেক সমাজবিজ্ঞানী এসব মানুষের ভবিষ্যত জীবন ও সামাজিক বন্ধন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

তাদের ধারণা, যদি একজন পুরুষ সেক্স ডলেই তার জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে পারেন তাহলে অদূর ভবিষ্যতে নারীর প্রতি আসক্তি আস্তে আস্তে কমে যেতে পারে মানুষের। ফলে দেখা দিতে পারে সামাজিক বিশৃংখলা।

৬০ বছর বয়সী ব্রিক ডোলব্যাঙ্গারের দুটি সন্তান আছে। তার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর তিনি আর বিয়ের স্বপ্ন দেখেননি। উল্টো তিনি আসক্ত হয়ে পড়েছেন সেক্স ডলের প্রতি। এরই মধ্যে তার সংগ্রহে আছে এমনই ৫টি ডল! তার বাইরেও ১৫ হাজার পাউন্ড দিয়ে কিনে নিয়েছেন নতুন আরো একটি ডল। এর বিশেষত্ব হলো সে তার মালিকের জন্মদিন এবং তার শরীরের চাহিদা সম্পর্কে স্মরণ রাখতে পারে।

এর মাধ্যমে বিশ্বে প্রথম এতো সেক্স ডলের মালিক হলেন তিনি। তার সংগ্রহে আসা সর্বশেষ ডলটি তৈরি করেছে ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রিয়েলবোটিক্স। জানা গেছে, সিলিকন ত্বক ব্যবহার করে তারা জীবন্ত মানুষের মতো এই ডলটি তৈরি করেছেন। যা আকারে মানুষের সমান প্রায়।

সে মনে রাখবে মালিকের প্রিয় খাবার, ছবি, গান। যার সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা হবে একটি ‘অ্যাপ’ দিয়ে। ডলের মালিকই এদের রং পরিবর্তন করতে পারেন। এমনকি এটি কর্তার সঙ্গে ঈর্ষান্বিত আচরণ করবে, তাও নির্ধারণ করতে পারবেন মালিক। এ ছাড়া এ সেক্স ডল কথা বলে বৃটিশ উচ্চারণে। তার কণ্ঠ রোবোটিক।

এদিকে এরই মধ্যে গত এক দশকে এসব সেক্স ডলের পিছনে ব্রিক প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড খরচ করেছেন। তার মতে নিজে একা থাকতে ভাল লাগে না। তাই একজন সঙ্গী পাওয়ার জন্য তিনি এসব কেনার সিদ্ধান্ত নেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here