নদী ভাঙ্গন আতঙ্কে বাবুগঞ্জবাসী বিলীন হতে পারে রহমতপুর-মীরগঞ্জ সড়ক

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি:উজান থেকে নেমে আসা পানি ও পূবাল হাওয়ার কারণে বাবুগঞ্জের আরিয়াল খা,সন্ধা ও সুগন্ধা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তি নি¤œাঞ্চল ও চরাঞ্চল। পানির প্রবল ডেউয়ে অসময়ে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ন রহমতপুর থেকে মীরগঞ্জ সড়কের ক্ষুদ্রকাঠী এলাকা বিলীন হওয়ার পথে। সন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রায় সড়কের ২০০ মিটারের মধ্যে এসে পরায় হুমকির মুখে রয়েছে সড়কটি। এছারা বাবুগঞ্জ বন্দর ,ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন সেতু,বরিশাল বিমান বন্দরের শেষ মাথা,উপজেলা সাস্থ কমপ্লেক্স এর রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা রয়েছে ঝুকির মধ্যে। অভিজ্ঞরা বলছেন জোয়ারের পানি নেমে যাওয়ার সময় এসব গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যেতে পারে।
গত এক সপ্তাহে উপজেলার ছোট মীরগঞ্জ এলাকায় বৈদ্যুতিক খুটিসহ বেস খানিক যায়গা দেবে গেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, একই এলাকায় বেশ কিছু যায়গাসহ ছোট মীরগঞ্জ বাজার ভাঙ্গনের কবলে। আবাসন প্রকল্পসহ পানি বন্ধী হয়ে পরেছে কয়েক শত পরিবার। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না প্লাবনের কারণে। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চল ছানিরচর, আড়িয়াল খাঁ নদের বিপরীত দিকের নতুন চর, চাঁদপাশার গাজীপুর এলাকার চরাঞ্চল, কুমারিয়ারপিঠ, লামচর ক্ষুদ্রকাঠি, দক্ষিন রাকুদিয়া, রাজগুরু নতুন চর, পূর্ব কেদারপুর, দোয়ারিকা নতুন চর, চরমলঙ্গা, উত্তর বাহেরচর, চর আলগী, চর হোগলপাতিয়া, ডাকাতিয়ার চর ইত্যাদি এলাকা। উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন বলেন, আমাদের এলাকায় প্রতিবছরই ভাঙ্গল দেখা দেয়। ভাঙ্গন কবলিত মানুষের পাশে দাড়াতে হবে সমাজের বৃত্তবান মানুষদের।তাছাড়া সরকার এ ব্যাপারে প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বরিশাল-৩ আসনের সাংসদ শেখ মোঃ টিপু সুলতান বলেন,বর্তমান সরকার নদী ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা হয়েছে।আমরা দ্রুত সংকট উত্তারনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here