আইন, আদালত, বিচার ও বাস্তবতার আড়ালের কিছু কথা’

মুক্তা নাগ:

তোমাকে ছুঁয়ে থাকি পরশ বিনা…..
শুধু নিশী চাঁদ জানে তুমি জান না….

গীতিকাব্যের এই চরণ দুটিতে প্রিয়া যেমনি করে প্রিয়তমকে তার অগোচরে ছুঁয়ে থাকে ,ঠিক তেমনি একটি জীবনের আস্তিত্ব সৃষ্টির শুরু থেকে তার অবসান পর্যন্ত মানুষকে ভিন্ন ভিন্ন পেশার উপর অদৃশ্য এক নির্ভরতার মধ্য দিয়ে টিকে থাকতে হয়। প্রয়োজনের তাগিদ, নির্ভরশীলতার মাত্রা,সততার দাবীর বিচারে কতিপয় পেশা তার গুরুত্ব বিবেচনায় অন্যটিকে ছাপিয়ে যায়। তবে ‘জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ’ প্রতিটি কাজ জীবনের জন্য সমান গুরুত্ব বহন করে। এখানে কেউ কারো বিকল্প নয়,পরিপূরক। তাই একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি নয়,বরং উভয়ের পারষ্পরিক সহযোগিতায় জীবন চলার পথের বাঁধা, বিপত্তি নির্মূল করে, শৃঙ্খলিতভাবে বেঁচে থাকাটা অনেকাংশেই নিশ্চিত করা যায়।

মানবদেহের রোগ মুক্তির দায়ভার যেমন একজন ডাক্তারের উপর অর্পিত থাকে,ইঞ্জিনিয়ার তার ইটের গাঁথুনিতে অবকাঠামোর ভিত গড়ে , ঠিক তেমনি সামাজিক অবয়বের সঠিক ও সুষ্ঠু ব্যবস্খাপনা তথা দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে সুশৃঙ্খল সমাজকাঠামো গঠনে আইন, প্রশাসন তথা বিচারাঙ্গন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।

Violation Caseমনিষী রোজার ডাটেন্স বলেনঃ “বাঁচ এবং বাঁচতে দাও এই হলো সাধারণ বিচারের কথা’’। ঐ কথার প্রতিফলন ঘটে বিচারকের বিচারে। তাই বিচার হলো মূলত আইনের আবরণে একটি বিবাদমান দলের মধ্যকার বিরোধের বিষয়ের উপর একটি সিদ্বান্ত বা রায়। একটি বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত রায়ে রূপান্তরিত করতে বিচারক, আইনজীবী, পক্ষ-বিপক্ষ, সাক্ষী একে অন্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আইনজীবী আদালতের সামনে সাক্ষ্য প্রমাণ, জেরা, জবানবন্দী এবং সংশ্লিষ্ট আইনের উপস্থাপন করে থাকেন। মূল কথা হলো আদালতকে সঠিক সিদ্বান্তে সাহায্য করাই আইনজীবীদের প্রধান কর্তব্য ও দায়িত্ব। প্রচলিত ব্যবস্থাপনায় এককভাবে আদালতের পক্ষে সত্যকে উৎঘাটন করে আইনের সমর্থিত সিদ্বান্তকে ঘোষণা করা সর্বাবস্থায় সম্ভব নয় এবং এ কারণেই আদালত ও আইনজীবীদের যৌথ সহযোগিতায় বিচার ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষিত হয়। আর এই সত্যতার স্বীকৃতি ঘটেছে উচ্চ আদালতের সিদ্বান্তে।

Mowazzem Hossain Vs State.[33DLR(AD)290] মামলায় বলা হয়েছে, ‘’Both the Bench and Bar are two arms of the same machinery unless they work harmoniously justice can not be properly administered. An erring judge and erring contemner are both danger to the pristine purity of the seat of justice’’. তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একে অন্যের উপর শ্রদ্ধা,সম্মান,বিশ্বাস,ধৈর্য প্রদর্শন অপরিহার্য। নইলে বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোতে জনমনের আস্থাহীনতার ঘুণ পোকার প্রবেশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়বে। আর ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা সুদূর নীলিমায় আলেয়ার আলো হয়ে জ্বল জ্বল করবে বালুচরে খেলাঘর বাঁধার মত।

এই প্রসঙ্গে Aziza Khatun Vs the State (1967)19 DLR355. মামলার রায় অনেকাংশেই প্রাসঙ্গিক। এই মামলায় রায়ে বলা হয়েছে যে, ‘’The administration of law and justice is a matter of vital importance of any civilized society. The machinery by which law in enforced has been crystallized by centuries of wisdom and experience. The Bench and the Bar, in this behalf, constitute one unit and each is the complement of the other. The relationship between the Bench and the bar calls for a balance exercise of patience and reasonable indulgence. It is relationship which must be tempered by tolerance and restraint which the wisdom of experience teaches us. Lawyers are expected to show due respect to a court and the court, on it’s part, is required to be reasonable indulgent to a lawyer to exercise such caution and patience as are calculated to promote the claim and unruffled climate of a court of law’’.

কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, আমাদের দেশের বহু জেলাতে আইনের কূটতর্কে তর্কের বিষয়টি ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে পড়ায় বহু ক্ষেত্রে Bar ও Bench এর মধ্যকার উত্তেজনা বেড়ে যায় এবং এক পর্যায়ে আদালত বর্জন অনুষ্ঠান চলে। এই অবস্থা কখনও কাম্য নয় এবং তা ন্যায়বিচার প্রত্যাশীদের গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নেওয়ার সামিল বলে গণ্য হবে। যা সভ্যতার বিকাশে পর্বতসম বাঁধা। কেননা আইন ও বিচারের প্রতি জনমানুষের শ্রদ্ধাহীনতা যদি বিচারকে পক্ষদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধার সৃষ্টি করে তবে সামাজিক শৃঙ্খল অনেকাংশে ভেঙ্গে পড়বে। যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সত্যি দূরহ হবে ।

তাই বিচারক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে যার যার অবস্থান থেকে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে পক্ষগণ অন্ততঃ বুঝতে পারেন যে, আদালতে ন্যায় বিচার হয়েছে। সর্বোপরি পক্ষগণ যাতে বিচারকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেন, সেইরকম আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে পক্ষদের ভূমিকাও নেহায়াত কম নয়। বিচারকের চোখ অন্ধ, আদালতের সামনে উপস্থাপিত সাক্ষ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে, আইনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকে তিনি রায় ঘোষণা করেন। এখানে ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছা বাস্তবায়নের কোন সুযোগ নেই। যদিও দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারা,ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১(ক) ধারা আদালতকে বিপুল ক্ষমতা প্রদান করেছে । তবে আদালতের এই অন্তর্নিহিত ক্ষমতা আইনের বিকল্প নয় বরং আইনের অনুপস্থিতিতে বিচারকের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে (for ends of justice or to prevent abuse of the process of the court) অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

কারণ আইন সমস্ত অবস্থা মোকাবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময়ে প্রণীত হয়েছে সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রযুক্ত হয়ার সময় পরিবর্তন হতে পারে; আইন প্রযুক্ত হয়ার সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে যা প্রচলিত আইনে প্রতিকার বিধান সম্ভব হয় না। ঠিক তখনই আইনের সঠিক Interpretation এর মাধ্যমে বিচারপ্রার্থী মানুষকে প্রতিকার প্রদানের জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ও ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১(ক) ধারা অনুযায়ী উভয় মামলায় আদালত তাঁর নিজস্ব বিবেচিনায় সুবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।

এক্ষেত্রে মহামান্য উচ্চ আদালত তাঁর বিভিন্ন রায়ের মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন এই বলে যে, “the general principle is that when a party has any scope of seeking relief under a specific provision of law and when such relief can be given under that provision, the court can not give relief to the party by invoking it’s inherent power.” Vide 29 DLR(SC)185,16 BLD(AD)50,290, 20BLD 14,276, 1 BLC(AD)43. তাই বলা যায় বিচারক আইন অনুযায়ী তাঁর বিচারকর্ম সম্পাদনে সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচারের রায় কোন এক পক্ষের অনুকূলে গেলে বিচারক পক্ষপাতদুষ্ট হবেন হেন দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন জরুরী। কেননা বিচারক শুধুমাত্র তাঁর নিকট উপস্থাপিত সাক্ষ্য, প্রমাণ, যুক্তি তর্ক বিবেচনায় রায় প্রদান করেন। এক্ষেত্রে পক্ষদের দূরদর্শিতা, সময়োপযোগী পদক্ষেপ, মামলার আলামত সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সতর্কতা, সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন ইত্যাদি রায় নির্ধারণে বহুলাংশে ভূমিকা রাখে। যার অভাব হেতু বিচারের বানী নিভৃতে কেঁদে যাবে বিচারকের অগোচরে। আর আইনজীবীগণ মিথ্যাবাদী হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবে! এক্ষেত্রে একটি উদাহরনের অবতারনা করা আবশ্যক।

একজন ব্যক্তি কতৃক অপর একজন ব্যক্তির মৃত্যু হলে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে এইটি একটি খুন (murder) বলে বিবেচিত হবে । কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে একজন মানুষ অপর একজন মানুষ কর্তৃক মৃত হলেই তা খুন (murder) বলে বিবেচিত হবে না। তা ক্ষেত্র বিশেষে দণ্ডার্হ নরহত্যা(culpable homicide) হিসাবে গণ্য হবে। কারণ আইনে দণ্ডার্হ নরহত্যা (culpable homicide) এবং খুন (murder) দুটি ভিন্ন অপরাধ যা দন্ডবিধির ধারা যথাক্রমে ২৯৯ ও ৩০০ তে বর্ণিত আছে। ঠিক তেমনি একজন মানুষকে হত্যা করেও হত্যাকারী বেকসুর খালাস পাওয়ার দাবী রাখে যা দন্ডবিধির ৯৬ ধারায় (ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা বা self defence এর অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ বলে গণ্য হবে না) বর্ণিত হয়েছে। কতিপয় ক্ষেত্রে দেহ (১০০ ধারা) এবং সম্পত্তি (১০৩ ধারা) রক্ষায় আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো আইনের দৃষ্টিতে কোন অপরাধ হবে না।

এক্ষেত্রে একজন আইনজীবী যদি তাঁর মক্কেল কে নির্দোষ দাবী করেন কিংবা এই যুক্তি উপস্থাপন করেন যে, আমার মক্কেল খুন করেননি তবে তা আইন সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তির পক্ষে সঠিকভাবে বোধগম্য হবে না বরং তিনি আইনজীবীকে মিথ্যাবাদী হিসাবে বিশাদাগার করে যাবেন। আর এটাই স্বাভাবিক। কারণ আইনের এই সুক্ষ ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবহেতু তা অধরাই থেকে যাবে। তবে Doctrine of Innocence অনুযায়ী – Everyone shall be presumed to be innocent unless he is found guilty by a competent court’’. তাই প্রতিটি মানুষের আইনের আশ্রয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে যা সংবিধানে Fundamental Principle হিসাবে স্বীকৃত। কিন্তু অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বর্তমানে আইন পেশা তাঁর ঐতিহ্য, সম্মান রক্ষায় অনেকাংশেই হিমশিম খাচ্ছে।

অতীতে সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞান পিপাসার অন্যতম খোরাক ছিল আইন। ফলে তাদের দক্ষতা, যোগ্যতা, মননশীলতা, উন্নত আচরণ আইন পেশাকে অনেক উঁচুতে প্রতিষ্ঠিত করেছিল আর জয় করেছিল মানুষের হৃদয়। কিন্তু এখন গণেশ উল্টে গেছে, দিক ভ্রান্ত পথিকের ভারে আইন পেশা দিগ্বিদিক শূন্য হয়ে পড়ছে! সাধারণ মানুষের কাছে একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, আইন পেশায় আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার সুযোগ অনেক বেশি। তাই রাতারাতি ধনী হওয়ার আশায় অন্য একটি পেশা ছেড়ে দিয়ে শেষ বেলাতে আইন পেশার দ্বারস্থ হন অনেকেই। নিদিষ্ট বয়ঃসীমা না থাকায় অনেক সময় নীতি নৈতিকতাহীন ব্যক্তিবর্গের আগমনেরও সুযোগ ঘটে। ফলে হয়রানির স্বীকার হয় বিচার প্রত্যাশী অসহায় মানুষগুলো। তাই বলে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের প্রতারণায় দায়ে একটি পেশাকে ডালাও ভাবে দোষারোপ করা বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক নয়। তবে প্রত্যেকটি পেশায় কতিপয় ব্যক্তি তাদের কৃত কর্মের সমালোচনা তথা ক্ষেত্র বিশেষে শাস্তি প্রাপ্তির যোগ্য বটে। এক্ষেত্রে সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্টায় বিচার বিভাগ গুরুদায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বিচার বিভাগের একার পক্ষে তা অনেকাংশেই অসম্ভব।

আলোর নিচের অন্ধকার, সত্যের আড়ালে অসত্য, সমাজের আনাচে কানাচে ঘটে যাওয়া নিত্যদিনের সঙ্গতি আর অসঙ্গতির চিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরতে সাংবাদিক তথা গণমাধ্যম অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করে। তবে এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যেন, উক্ত রিপোর্টটি কোন ভাবেই সামাজিক বিশৃঙ্খলতাকে প্ররোচিত না করে কিংবা আদালত অবমাননার সামিল বলে গণ্য হয়। বিচারাঙ্গন বা কোন বিশেষ বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা মহামান্য প্রধান বিচারপতির গোচুরিভূত করা জরুরী। বিচারাঙ্গন সম্পর্কে ঢালাওভাবে মন্তব্য করে মানুষের শেষ ভরসাস্থল বিচার বিভাগকে বিতর্কিত করা অন্যায়। কিন্তু একবিংশ শতাব্দির এই যুগে সাংবাদিকতা তথা গণ মাধ্যম তাঁর প্রেসের মধ্যেই শুধু সীমাবদ্ধ নেই বরং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার উপর বহুলাংশে নিভরশীল।

মানুষের তথ্য প্রাপ্তি আর মত প্রকাশের মাধ্যম গুলো যথা ফেসবুক, টুইটার, স্কাইপ, ইন্টারনেট ইত্যাদি প্রতিনিয়ত হাতের নাগালে আসছে যার অপব্যবহা্রের মাধ্যমে সৃষ্টি হচ্ছে সাইবার ক্রাইম। তবে সকল ধরনের অপরাধ বিচারের উপযোগী তথা মামলা দায়ের থেকে শুরু করে সাক্ষী উপস্থাপনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় পুলিশ বিভাগের দায়িত্ব ও কর্তব্যের যথার্থ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। যদিও অনেক সময় আমরা তার ভিন্ন চিত্র দেখতে পাই। মাথা থাকলে ব্যথা থাকবেই,তাই বলে মাথা কেটে ফেলা কোন সমাধান নয় বরং মাথা ব্যথার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে তা নির্মূল করতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দল, মত, পথ, পেশা, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের কল্যাণে সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। তবেই সত্য ও সুন্দরের জয় হবে, প্রতিষ্ঠা পাবে ন্যায়বিচার, সমাজকাঠামো পাবে দৃঢ় ভিত্তি, এগিয়ে যাবে দেশ, পর্বতসম উচ্চতার মাথা তুলে দাঁড়াবে বিশ্বের বুকে!

লেখক: এডভোকেট, ঢাকা জজ কোর্ট।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here