সাংবাদিক নেতা আলমগীর নূরকে ফাঁসানোর অভিযোগ

চট্রগ্রাম  প্রতিনিধি ঃসিএমপির বাকলিয়া থানার ওসি রাশেদুল হক ও জনৈক ভাড়াটিয়া আবদুল মালেক পরষ্পর যোগসাজশে মিথ্যা মামলায় চট্টগ্রামের সাংবাদিক নেতা আলমগীর নূরকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়,
চট্টগ্রাম শহরর বাকলিয়ার ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত ব্যাবসায়ীক পরিবারের সন্তান , কালামিয়া বাজার এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা, সমাজ সেবক, মরহুম নূর মাহাম্মদ সওদাগরর সুযাগ্য কনিষ্ঠ পুত্র জাতীয় দৈনিক আজকের প্রভাত-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিআরইউ)’র সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী ও পরিবেশবাদী সংগঠন “নাগরিক অধিকার ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন (নাপসা-বাংলাদেশ) এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক, কলামিষ্ট, সজ্জ্বন ব্যক্তিত্ব আলমগীর নূরের বিরুদ্ধে জনৈক ভাড়াটিয়া আবদুল মালেক বাকলিয়া থানায় একটি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। বাকলিয়া থানা মামলা নং-৩৬, তারিখ : ২৩/০৯/২০২১ ইং। অথচ, গত ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং তারিখে ওসি বাকলিয়া রাশেদুল হকের সাথে জমিদার বনাম ভাড়াটিয়ার চলমান দেওয়ানী প্রসিডিওর নিয়ে দালিলিক প্রমাণাদিসহ দোনানের জমিদারের দু’জন সম্মানিত প্রতিণিধি এবং ভাড়াটিয়া আবদুল মালেকের সাথে থানায় তৃপক্ষকীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র বৈঠক শেষে ওসি বাকলিয়া সরকারী মোবাইল নাম্বার মাধ্যমে ওসি বাকলিয়া রাশেদুল হক ও ভাড়াটিয়ার সাথে দোকানের জমিদার আলমগীর নূর এর সাথে ৭ মিনিটের তৃপক্ষকীয় মোবাইল কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয়। বিবাদীর আইনজীবীর কাছে বর্তমানে সংরক্ষিত ৭ মিনিটের মোবাইল কথোপকথনের ভয়েজ রেকর্ডে অত্র ২৩/০৯/২০২১ ইং তারিখের চাঁদাবাজি মামলার কোন অভিযোগের কোন অস্তিত্ব অস্তিত্ব নেই ও ছিলোনা। এমতাবস্থায়, দোকানের মালিক ও মিথ্যা মামলার বিবাদী আলমগীর নূর এর প্রশ্ন? ২১/০৯/২০২১ ইং তারিখে ওসি বাকলিয়া ও ভাড়াটিয়ার সাথে দালিলিক প্রমাণাদিসহ জমিদার পক্ষের দেওয়ানী বিরোধ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে ২৩/০৯/২০২১ তারিখে চাঁদাবাজির মামলা হয় কিভাবে?!

অভিযাগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেসী কুচক্রী মহল ও ষড়যন্ত্রকারীদের যাগসাজশে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে দায়েরকৃত মামলার মূল উদ্দশ্য হচ্ছে আলমগীর নূর (বাড়িওয়ালা) এর পারিবারিক সম্পদ দোকান গৃহ থেকে উচ্ছেদ করে পারিবারিক সম্পদ কুক্ষিগত করার জন্য মামলার বাদী তথা ভাড়াটিয়াসহ অফিসার ইনচার্জ বাকলিয়া থানা রাশদুল হক এবং অপরাপর পুলিশ কর্মকর্তাদের পরস্পর অনৈতিক যাগসাজশে উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে মামলার বিবাদী সাংবাদিক আলমগীর নূর ও তার পরিবারবর্গ চরমভাব সংক্ষুদ্ধ হয়েছেন। বিবাদী ও তার পরিবার উক্ত মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধ তীব্র নিদা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। উক্ত বিষয়ে চট্টগ্রামের সাংবাদিক ও সূধী সমাজের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে।

অভিযোগকৃত স্বারকলিপির মাধ্যমে আরো জানা যায়, দোকান গৃহের ভাড়াটিয়া জনৈক আব্দুল মালেক গত ০১/০৫/২০২১ ইং তারিখে দোকান গৃহের দালিলিক ভাড়াটিয়া হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু, কিছুদিন অতিক্রান্ত হতে নাহতেই জমিদারের দোকানগৃহ কুক্ষিগত করার জন্য এলাকার ষড়যন্ত্রকারী ও কুচক্রীমহলের মদদে ভাড়াটিয়া ছলছাতুরীর আশ্রয় নিয়া জমিদারকে গত ০৪-০৬-২০২১ ইং তারিখ একটি নোটিশ প্রদান করে। জমিদার ভাড়াটিয়ার উক্ত ০৪-০৬-২০২১ ইং তারিখের নোটিশ এর আইনীভাবে জবাব প্রদান করার পরও এবং দেওয়ানী আইন মোতাবেক দ্বিপাক্ষিক নোটিশ আদান-প্রদান অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া-ওসি বাকলিয়া ও স্থানীয় ভূমি দস্যু কুচক্রীমহলের যোগসাজশে জমিদারের বিরুদ্ধে উক্ত চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। গত ০৪/০৫/২০২১ ইং তারিখের বরাত দিয়ে গত ০৫ মাস আগেরন একটি মিথ্যা কাল্পনিক গায়েবী ঘটনা সাজিয়ে ওসি বাকলিয়ার অনৈতিক যোগসাজশে উক্ত চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে বাড়িওয়ালার সম্পদ কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্রের অংশ। গত ৫ মাস আগের একটি কাল্পনিক, মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা সম্পদ কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্রেরই অংশ। মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক, হয়রানীমূলক, বানায়াট, ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর চাঁদাবাজি মামলার বিরুদ্ধ আলমগীর নূর গত ০৬/১০/২০২১ ইং তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশর আইজি, মানবাধিকার কমিশনারর চেয়ারম্যান ও দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি ) বরাবরে পুরা ঘটনার বিবরণ ও দালিলিক প্রমাণ সহকারে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

এই বিষয় আলমগীর নূর দোকানের জমিদার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, গত এক যুগ ধরে আমাদের পারিবারিক সম্পদ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বহুমূখী ষড়যন্ত্রের কারণে আমরা পারিবারিকভাবে চরমভাবে বিপদগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্থ। বর্তমানেও ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয় হয়ে স্থানীয় প্রশাসনক অনৈতিক পন্থায় বসে এনে আমাদের পারিবারিক সম্পদ কুক্ষিগত করার জন্য মিথ্যা মামলা-হামলা অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে আমাদের জীবন জীবিকা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হুমকীর মুখে পতিত। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, গত ২০১৩ ইং সালেও উক্তরুপ একজন ভাড়াটিয়া আমার দোকান দখল করে তৎকালীন বাকলিয়া থানার ওসি মহসীনের দায়ীত্বকালে স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী চক্র ভাড়াটিয়া-পুলিশ যোগসাজশে আমার বিরুদ্ধে উক্তরুপ মিথ্যা মামলা দিয়া ৪ শতক পরিমানের আমার একটি জায়গা ও দোকান জবর দখল করিয়া নিয়েছে। যা আজও উদ্ধার করতে পারিনাই। এমতাবস্থায়, আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে উক্ত মিথ্যা মামলার বাদী আব্দুল মালেকসহ মিথ্যা মামলা রেকর্ডধারী ওসি (বাককিয়া) এবং এর সাথে জড়িত অপরাপর পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে অত্র মিথ্যা মামলা হতে আলমগীর নূর সহ বিবাদীদ্বয়কে চুড়ান্তভাবে অব্যাহতি প্রদানর জোর দাবী জানিয়েছেন এবং তার ও তার পরিবারের স্বাভাবিক জীবন যাত্রার নিরাপত্তা চেয়েছেন তিনি। তাই তিনি উক্ত বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সকল স্তরর প্রশাসনর কার্যকর সুশাসনতান্ত্রীক হস্তক্ষপ কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here