দশ মামলার আসামী জালিয়াত চক্রের হোতা মফিজ আবারো কারাগারে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃভোলার লালমোহন উপজেলার জালিয়াত চক্রের হোতা মফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ৩০ লাখ টাকার চেক জালিয়াতি মামলায় বুধবার স্থানীয় বাসিন্দা আইসক্রিম বিক্রেতা সিরাজ হোসেনের দায়েরকৃত মামলায় আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। মফিজুর রহমান এরআগেও জালিয়াতি এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিকবার কারাভোগ করেন।

জানা গেছে, লালমোহনে বর্তমানে ১০টি মামলা চলমান রয়েছে এই মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এগুলোর মধ্যে জিআর ১০৩/১৮, জিআর ২৬৯/১৬, এফআইআর ১৪/০৮, জিআর ১৫৩/০৬, জিআর১৯৪/০৭, এমপি ৯৫/২১, সিআর ৯৭/২১, সেশন ৭৫০/১৮ (বরিশাল) উল্লেখযোগ্য। অভিযোগ রয়েছে, প্রতারক মফিজুর রহমান সরকারি বরাদ্দের চাল-আটা বিক্রির ডিলারশিপও কৌশলে দখলে নিয়েছেন।

এর মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ৩০ টাকা কেজি দরের চাল ৪০ টাকায় এবং ১৮ টাকার আটা ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। অভিযোগ রয়েছে ভোলা-৩ আসনের সাংসদ নুরন্নবী চৌধুরী শাওনের জনপ্রিয়তা ক্ষুন্ন করতে এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যেতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে সে।

নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতিতে পূর্বে সংশ্লিষ্ট থাকা প্রতারক ও জালিয়াত মফিজুর রহমান সাবেক সাংসদ জসীম উদ্দীনের সাথে গোপন সখ্য রেখে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে ফায়দা হাসিল করছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে তৎকালীন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতার সহযোগিতায় ঢাকায় একাধিক গোপন বৈঠক করেন তিনি।

এছাড়া সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও করোনাকালীন ত্রাণ তৎপরতাকে বির্তকিত করতে বিভিন্ন ফেইসবুক আইডি খুলে নামে-বেনামে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। এমনকি মফিজ আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করতে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোবাশ্বের আলী স্বপনের সাথেও গোপন যোগাযোগ রাখেন।

স্থানীয়রা বলছেন, মফিজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করে বিএনপি নেতা হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে ফায়দা দেওয়ার গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নামধারী কিছু নেতা ও বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত আপন শ্যালক তার সকল অপকর্মে সহযোগিতা করে থাকেন। এ বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী বাসিন্দারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here