জিআর প্রকল্পের ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃজাল কাগজপত্র তৈরীর মাধ্যমে জিআর প্রকল্পের ৫ হাজার ৮২৩ মেঃটন চাল উত্তলোন করে অসহায়দের মাঝে বিতরণ না করে কালোবাজারে বিক্রি করে ২২কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৬ জন চেয়ারম্যান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুর-এর সহকারী পরিচালক মোঃ হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন।

অভিযোগের আসামীরা হলেন-মাে: জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, গােবিন্ধগঞ্জ, গাইবান্ধা, মাে: মােশাহেদ হােসেন চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ১নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ;মাে: রেজাউল করিম (রফিক), চেয়ারম্যান, ২নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ; মাে: তাহাজুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ৩নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ; মাে: আব্দুল লতিফ সরকার, চেয়ারম্যান, ৪নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ, মােঃ শাকিল আলম, চেয়ারম্যান, ৫নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদ; আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জজ, চেয়ারম্যান ৬নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ; মাে: আতিকুর রহমান আতিক, চেয়ারম্যান, ৭নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ; মাে: আব্দুল কাদের প্রধান, চেয়ারম্যান, ৮নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদ,  জনাব আকতারা বেগম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান; মাে: শাহদাত হােসেন, চেয়ারম্যান, ১০ নং রাখালবুরুজ ইউনিয়ন পরিষদ; মােঃ আব্দুল মান্নান মােল্লা, চেয়ারম্যান, ১১নং ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাে: শরীফ মােস্তফা জগলুল রশিদ রিপন, চেয়ারম্যান, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ; মােঃ শরিফুল ইসলাম রতন, চেয়ারম্যান, ১৩নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদ;  মাে: মােশারফ হােসেন, চেয়ারম্যান, ১৪নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ; সেকেন্দার আলী মন্ডল, চেয়ারম্যান, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ; মাে: আব্দুল লতিফ প্রধান, চেয়ারম্যান, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ, মাে: আমির হােসেন শামীম, চেয়ারম্যান, ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ, ১৯। মােছা: গােলাপী বেগম, কাউন্সিলর, গােবিন্ধগঞ্জ পৌরসভা এর বিরুদ্ধে  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধা জেলার গােবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দকৃত ৫৮২৩ মে:টন সরকারি চাল আসামীগণ পরস্পর যােগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ পূর্বক প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাল কাগজপত্র সৃজনের মাধ্যমে উত্তোলন পূর্বক কালােবাজারে বিক্রয় করে তৎকালীন সরকারী আর্থিক মূল্য প্রতি মে:টন চাল ৩৭,৮৩৬.৪৪ টাকা হিসেবে মােট (৫৮২৩ x ৩৭,৮৩৬.৪৪)= ২২,০৩,২১,৫৯০ টাকা আত্মসাত করে।

উপরে বর্ণিত ব্যক্তিগণ দন্ডবিধির ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরােধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযােগ্য অপরাধ করায়  তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে কমিশন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো.আরিফুর রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here