ছয় সন্তানের মাকে ভাগিয়ে বিয়ে, দেড় বছর পর বৃদ্ধাশ্রমে হত্যা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইল দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবা আটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী মো. আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। আফাজ উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের এলাসিন গ্রামের রজব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে বানিছ মিয়ার স্ত্রী ছয় সন্তানের জননী ৫৫ বছরের ভানু বেগমকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন আফাজ উদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে কেয়ারটেকারের কাজ নেন।

পালিয়ে আসার সময় ভানু বেগম প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর সাবেক স্বামী মো. বানিছ মিয়া ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে মো. শরিফ মিয়া জানান, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করেন। এরপর লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে যান তিনি। শুক্রবার সকালে লাশটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা। পরে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ।

দেলদুয়ার থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন ভানুর বড় মেয়ের জামাই আল আমিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here